- আপডেট সময় : ১২:১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ৪১ বার পড়া হয়েছে
হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট ও মোজাফফরের ভূমিকা
১৯৮১ সালের ২৯ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যকার কোন্দল ও বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে দুই দিনের সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। সফরসূচি অনুযায়ী প্রথম দিনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মধ্যরাতে ঘুমাতে যান তিনি। ৩০ মে ভোররাতে একদল সেনা কর্মকর্তা সার্কিট হাউসে হামলা চালিয়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গুলি করে হত্যা করে।
ইতিহাস ও মামলাসংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেন নিজেই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যা নিশ্চিত করার পর তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে ফোন করে জানান—‘The President has been killed.’

৪৫ বছরের আত্মগোপন
হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী সামরিক অভিযানে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর গ্রেপ্তার হন এবং পরে নিহত হন। এছাড়া ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেও মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তদন্তে উঠে এসেছে, মোজাফফর দীর্ঘদিন ভারতে ছদ্মনামে আত্মগোপনে ছিলেন (বিশেষ করে ১৯৯৭-৯৮ সালে)। পরবর্তী সময়ে পরিচয় গোপন করে সীমান্ত পারাপারের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে গা ঢাকা দিয়ে থাকেন। অবশেষে দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ডিবির হাতে তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম স্পর্শকাতর এই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
























