ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন : আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। নেট দুনিয়ায় এনিয়ে শুরু হয়ে গেছে তুলকালাম কান্ড। রাজনৈতিক পাড়ায় বইছে বিতর্কের ঝড়। আজ মঙ্গলবার সেই বিতর্কের সমাধান দিতে গিয়ে মুখ খুলেছেন আইনমন্ত্রী মো.আসাদুজ্জামান। তিনি জানিয়েছেন,পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন এবং তার শপথ গ্রহণে কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
একই দিন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবকে ‘ক্যাজুয়াল’ ও ‘ইনফরমাল’ হিসেবে উল্লেখ করে বিষয়টি খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে না দেখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের বর্তমান অবস্থা ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কিছুটা অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেছেন। নাগরিকত্বের বিষয়ে জানতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই প্রশ্ন করা সবচেয়ে ভালো হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি এটা বলি যে উনি একটু ইনফরমালি কথা বলছিলেন। আর এই জবাবটা আমার মনে হয় তাকে, তাকেই তো জিজ্ঞেস করা হয়েছে? তার কাছে জিজ্ঞেস করাটাই সবচেয়ে ভালো অপশন।’

তবে প্রয়োজন হলে সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরিষ্কার করতে পারে বলেও জানান তিনি।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এরপরও যদি এ বিষয়ে কোনো ধরনের ক্ল্যারিফিকেশন প্রয়োজন হয়, তাহলে সরকার বিষয়টি খোঁজ করে দেখতে পারে। তবে আমি মনে করি এ বিষয়ে সবচেয়ে ভালো হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই প্রশ্ন করা। তার বক্তব্যের ধরন ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই বিষয়টি দেখা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি বক্তব্যটা পড়েন একরকম, আর বক্তব্যটা যদি দেখেন, তাহলে দেখবেন যে উনি একটু ক্যাজুয়ালি, ইনফরমালি কথা বলছিলেন। এটাকে খুব সিরিয়াসলি না নেয়াটাই উচিত হবে।’

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, কাজ করি।’

এ সময় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে মানে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?’
তার ওই বক্তব্যের পরই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। নেট দুনিয়ায় এনিয়ে শুরু হয়ে গেছে তুলকালাম কান্ড। রাজনৈতিক পাড়ায় বইছে বিতর্কের ঝড়। আজ মঙ্গলবার সেই বিতর্কের সমাধান দিতে গিয়ে মুখ খুলেছেন আইনমন্ত্রী মো.আসাদুজ্জামান। তিনি জানিয়েছেন,পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন এবং তার শপথ গ্রহণে কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
একই দিন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবকে ‘ক্যাজুয়াল’ ও ‘ইনফরমাল’ হিসেবে উল্লেখ করে বিষয়টি খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে না দেখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের বর্তমান অবস্থা ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কিছুটা অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেছেন। নাগরিকত্বের বিষয়ে জানতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই প্রশ্ন করা সবচেয়ে ভালো হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি এটা বলি যে উনি একটু ইনফরমালি কথা বলছিলেন। আর এই জবাবটা আমার মনে হয় তাকে, তাকেই তো জিজ্ঞেস করা হয়েছে? তার কাছে জিজ্ঞেস করাটাই সবচেয়ে ভালো অপশন।’

তবে প্রয়োজন হলে সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরিষ্কার করতে পারে বলেও জানান তিনি।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এরপরও যদি এ বিষয়ে কোনো ধরনের ক্ল্যারিফিকেশন প্রয়োজন হয়, তাহলে সরকার বিষয়টি খোঁজ করে দেখতে পারে। তবে আমি মনে করি এ বিষয়ে সবচেয়ে ভালো হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই প্রশ্ন করা। তার বক্তব্যের ধরন ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই বিষয়টি দেখা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি বক্তব্যটা পড়েন একরকম, আর বক্তব্যটা যদি দেখেন, তাহলে দেখবেন যে উনি একটু ক্যাজুয়ালি, ইনফরমালি কথা বলছিলেন। এটাকে খুব সিরিয়াসলি না নেয়াটাই উচিত হবে।’

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, কাজ করি।’

এ সময় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে মানে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?’
তার ওই বক্তব্যের পরই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।