ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

টাইগারদের মিশন এবার চিনির রাজধানী মেকাই

ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডারউইন জয় করে টাইগাররা পৌছালো মেকাই। অস্ট্রেলিয়ার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত। বিমানে ৬ ঘন্টার পথ। যদিও বাংলাদেশ দলকে সেখানে পৌছাতে দুনিয়ার ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। তবে ফ্লাইট বিড়ম্বনার কারণে ৬ ঘন্টার রাস্তা পৌঁছাতে লাগলো ১৪ ঘণ্টা।

স্থানীয় সময় ভোর ৫টার ফ্লাইটে ডারউইন থেকে ম্যাকায় উদ্দেশে রওনা হন শান্ত-মিরাজরা। এরপর সন্ধ্যা ৭টার কিছুক্ষণ আগে পৌঁছেছেন তারা। বিমানবন্দর ছাড়ার সময় ক্রিকেটারদের চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল। দলের সঙ্গে সকল সদস্যই ছিলেন একই ফ্লাইটে। মেকাই টেস্ট শুরুর আগে যেহেতু পর্যাপ্ত সময় আছে,চারদিন।সুতরাং ভ্রমনের এই ক্লান্তি দূর করে আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।দ্বিতীয় এই টেস্ট ২২-২৬ আগস্ট মেকাইতে অনুষ্ঠিত হবে । অস্ট্রেলিয়ার ১২তম এই টেস্ট ভেন্যুতে প্রতি দিনের খেলা শুরু হবে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়।

মেকাই হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার উত্তর পূর্ব উপকুলে অবস্থিত, কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের একটি অন্যতম প্রধান উপকূলী শহর। কুইন্সল্যান্ডের রাজধানী ব্রিসবেন থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তরে,কোরাল সাগরের তীরে পাইওনিয়ার নদীর মোহনায় অবস্থিত। বিখ্যাত ‘গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ’ (Great Barrier Reef) এর কাছাকাছি অবস্থানের কারণে পর্যটকদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। এছাড়া প্রচুর চিনি উৎপাদনের জন্য এই অঞ্চলটিকে অস্ট্রেলিয়ার “চিনির রাজধানী” (Sugar Capital) বলা হয়।

A sweet future: Welcome to the city powered by sugar in the heart of coal country - ABC News

কুইল্যান্ডের এই শহরে জনসংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার। সেখানে বাঙালীর সংখ্যা খুব একটা বেশি নয়। সব মিলে ১৫০-২০০ জন বাঙালী স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বাস করছেন। তারা পেশায় কেউ  খনি শিল্প (Mining), চিকিৎসা খাত (চিকিৎসক ও নার্স), ইঞ্জিনিয়ারিং, ইউনিভার্সিটি ও স্কুল শিক্ষকতা এবং স্থানীয় ব্যবসায়িক কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত।

Mackay Queensland Accommodation

সেখানেই টাইগাররা লড়বেন তাদের দ্বিতীয় টেস্ট। বাঙালীদের উপস্থিতিতো থাকছেই, অস্ট্রেলিয়ানদেরও ভীড় যে থাকছে তাতে সন্দেহ নেই। কারণ এক ডারউইন টেস্ট বাংলাদেশ সম্পর্কে বদল দিয়েছে সকল ধারনা। টাইগারদের নিয়ে উত্তেজনা চরমে। পর্যটকদের প্রিয় স্থান ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় প্রথমবারের মতো টেস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বলে কথা। যার ফলে টেস্টের প্রথম দিনের সব টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।  এমন কি ম্যাচের দ্বিতীয় দিনও প্রায় দর্শকে পরিপূর্ণ হওয়ার পথে।

মেকাইতে এই প্রথমবার এখানে কোনো আন্তর্জাতিক পুরুষ টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এই মাঠে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক মানের লাল বলের ক্রিকেট হয়েছিল ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে। সেবার শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল কুইন্সল্যান্ড। এরপর মেকাইকে আরও প্রায় ২০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে পেশাদার লাল বলের ক্রিকেট ফেরার জন্য। ২০১৫-১৬ মৌসুমের পর থেকে এই মাঠে কুইন্সল্যান্ড দুটি শেফিল্ড শিল্ড ম্যাচ খেলেছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলও এখানে দুটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ২০২৩-২৪ মৌসুমে নিউজিল্যান্ড ‘এ’-এর বিপক্ষে একটি গোলাপি বলের দিবারাত্রির ম্যাচও ছিল। মেকাইয়ে সর্বশেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের অক্টোবরে।

Smash And Bash - Cricket Grand Finals - Mackay Whitsunday LIfe

স‍ুতরাং মাঠটি দু’দলের জন্যই অপরিচিতই বটে। তবে এই ম্যাচে পরিকল্পনার ঘাটতি রাখছে না টিম অস্ট্রেলিয়া। উড়তে থাকা টাইগারদের গর্জন থামাতে তারা যে মরিয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের দলে পরিবর্তন এনে সে বার্তা দিয়েছে স্বাগতিকরা। দলটিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে স্থানীয় ক্রিকেটার ম্যাথু রেনশ। ম্যাকাইয়ের ক্রিকেটের ছোট্ট ইতিহাসে রেনশ ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছে। এই মাঠে এখন পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দুটি সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটার হচ্ছেন তিনি। এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার ২০২৩-২৪ মৌসুমে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন ১৩৫ রান। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে করেছিলেন দুর্দান্ত ১৭০ রান। তার এই ইনিংসটাই ২০ বছর বয়সী রেনশকে জাতীয় দলে সুযোগ করে দেয়। মাত্র ১২ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে তাকে সুযোগ দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। মাত্র ১৯ বছর বয়সে কুইন্সল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটার হিসেবে শেফিল্ড শিল্ডে সেঞ্চুরি করেছিলেন। ৩৯৫ বলে করেছিলেন ১৭০ রান। ওই মৌসুমে ৪৩.৪১ গড়ে ৭৩৮ রান করেছিলেন রেনশ।

কুইন্সল্যান্ড - উইকিপিডিয়া

এই মাঠে স্বাগতিকরা চাইবে বাংলাদেশের উপর রানের বন্যা বয়ে দিতে। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার স্টিভেন স্মিথ,ক্যমেরুন গ্রীন,অ্যালেক্স ক্যারি, ট্রাভিস হেড মার্নাস লাবুশানেদের সঙ্গে রেনশ জ্বলে উঠেন তাহলে বাংলাদেশের জন্য ভয়ের কারণ তা নিশ্চিত বলা যায়।তবে প্রথম টেস্টে অতিথি বোলাররা যেভাবে পারফর্ম করে আলো ছড়িয়েছেন তাতে আত্মবিশ্বাসে টগবগ থাকারই কথা। ফলে লড়াইটা সেয়ানে সেয়ানে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

অতীতের ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাস বলছে এই পিচ ব্যাটাদের জন্য স্বর্গীয়। ঘরোয়া সীমিত ওভারে ৪৩১ রান সর্বোচ্ছ স্কোর। এই উইকেটে ভালো বাউন্স এবং ক্যারি থাকে, যার ফলে ব্যাটাররা খুব সহজে শট খেলতে পারেন। তবে পেসারদের জন্যও ইনিংসের শুরুর দিকটা অনুকুলে থাকতে পারে। ম্যাচের শুরুর দিকে নতুন বলে পেস বোলাররা পিচ থেকে ভালো গতি ও অতিরিক্ত বাউন্স আদায় করতে পারবেন। সঠিক লেন্থে বল করতে পারলে পেসাররা এখানে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।তবে ম্যাচে চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে পিচ ভেঙ্গে যাওয়াপর সম্ভাবনা থাকে বলে স্পিনারদের জন্য আদর্শ হয়ে উঠে। এ সময় ভালো টার্ন, ও কিছুটা বাড়তি সুবিধা এনে দিতে পারে।  টস জয়ী দল প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যাতে শুরুর আর্দ্রতা ও বাউন্স কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে দ্রুত চেপে ধরা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাইগারদের মিশন এবার চিনির রাজধানী মেকাই

আপডেট সময় : ১০:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ডারউইন জয় করে টাইগাররা পৌছালো মেকাই। অস্ট্রেলিয়ার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত। বিমানে ৬ ঘন্টার পথ। যদিও বাংলাদেশ দলকে সেখানে পৌছাতে দুনিয়ার ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। তবে ফ্লাইট বিড়ম্বনার কারণে ৬ ঘন্টার রাস্তা পৌঁছাতে লাগলো ১৪ ঘণ্টা।

স্থানীয় সময় ভোর ৫টার ফ্লাইটে ডারউইন থেকে ম্যাকায় উদ্দেশে রওনা হন শান্ত-মিরাজরা। এরপর সন্ধ্যা ৭টার কিছুক্ষণ আগে পৌঁছেছেন তারা। বিমানবন্দর ছাড়ার সময় ক্রিকেটারদের চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল। দলের সঙ্গে সকল সদস্যই ছিলেন একই ফ্লাইটে। মেকাই টেস্ট শুরুর আগে যেহেতু পর্যাপ্ত সময় আছে,চারদিন।সুতরাং ভ্রমনের এই ক্লান্তি দূর করে আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।দ্বিতীয় এই টেস্ট ২২-২৬ আগস্ট মেকাইতে অনুষ্ঠিত হবে । অস্ট্রেলিয়ার ১২তম এই টেস্ট ভেন্যুতে প্রতি দিনের খেলা শুরু হবে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়।

মেকাই হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার উত্তর পূর্ব উপকুলে অবস্থিত, কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের একটি অন্যতম প্রধান উপকূলী শহর। কুইন্সল্যান্ডের রাজধানী ব্রিসবেন থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তরে,কোরাল সাগরের তীরে পাইওনিয়ার নদীর মোহনায় অবস্থিত। বিখ্যাত ‘গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ’ (Great Barrier Reef) এর কাছাকাছি অবস্থানের কারণে পর্যটকদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। এছাড়া প্রচুর চিনি উৎপাদনের জন্য এই অঞ্চলটিকে অস্ট্রেলিয়ার “চিনির রাজধানী” (Sugar Capital) বলা হয়।

A sweet future: Welcome to the city powered by sugar in the heart of coal country - ABC News

কুইল্যান্ডের এই শহরে জনসংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার। সেখানে বাঙালীর সংখ্যা খুব একটা বেশি নয়। সব মিলে ১৫০-২০০ জন বাঙালী স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বাস করছেন। তারা পেশায় কেউ  খনি শিল্প (Mining), চিকিৎসা খাত (চিকিৎসক ও নার্স), ইঞ্জিনিয়ারিং, ইউনিভার্সিটি ও স্কুল শিক্ষকতা এবং স্থানীয় ব্যবসায়িক কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত।

Mackay Queensland Accommodation

সেখানেই টাইগাররা লড়বেন তাদের দ্বিতীয় টেস্ট। বাঙালীদের উপস্থিতিতো থাকছেই, অস্ট্রেলিয়ানদেরও ভীড় যে থাকছে তাতে সন্দেহ নেই। কারণ এক ডারউইন টেস্ট বাংলাদেশ সম্পর্কে বদল দিয়েছে সকল ধারনা। টাইগারদের নিয়ে উত্তেজনা চরমে। পর্যটকদের প্রিয় স্থান ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় প্রথমবারের মতো টেস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বলে কথা। যার ফলে টেস্টের প্রথম দিনের সব টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।  এমন কি ম্যাচের দ্বিতীয় দিনও প্রায় দর্শকে পরিপূর্ণ হওয়ার পথে।

মেকাইতে এই প্রথমবার এখানে কোনো আন্তর্জাতিক পুরুষ টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এই মাঠে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক মানের লাল বলের ক্রিকেট হয়েছিল ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে। সেবার শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল কুইন্সল্যান্ড। এরপর মেকাইকে আরও প্রায় ২০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে পেশাদার লাল বলের ক্রিকেট ফেরার জন্য। ২০১৫-১৬ মৌসুমের পর থেকে এই মাঠে কুইন্সল্যান্ড দুটি শেফিল্ড শিল্ড ম্যাচ খেলেছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলও এখানে দুটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ২০২৩-২৪ মৌসুমে নিউজিল্যান্ড ‘এ’-এর বিপক্ষে একটি গোলাপি বলের দিবারাত্রির ম্যাচও ছিল। মেকাইয়ে সর্বশেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের অক্টোবরে।

Smash And Bash - Cricket Grand Finals - Mackay Whitsunday LIfe

স‍ুতরাং মাঠটি দু’দলের জন্যই অপরিচিতই বটে। তবে এই ম্যাচে পরিকল্পনার ঘাটতি রাখছে না টিম অস্ট্রেলিয়া। উড়তে থাকা টাইগারদের গর্জন থামাতে তারা যে মরিয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের দলে পরিবর্তন এনে সে বার্তা দিয়েছে স্বাগতিকরা। দলটিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে স্থানীয় ক্রিকেটার ম্যাথু রেনশ। ম্যাকাইয়ের ক্রিকেটের ছোট্ট ইতিহাসে রেনশ ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছে। এই মাঠে এখন পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দুটি সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটার হচ্ছেন তিনি। এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার ২০২৩-২৪ মৌসুমে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন ১৩৫ রান। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে করেছিলেন দুর্দান্ত ১৭০ রান। তার এই ইনিংসটাই ২০ বছর বয়সী রেনশকে জাতীয় দলে সুযোগ করে দেয়। মাত্র ১২ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে তাকে সুযোগ দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। মাত্র ১৯ বছর বয়সে কুইন্সল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটার হিসেবে শেফিল্ড শিল্ডে সেঞ্চুরি করেছিলেন। ৩৯৫ বলে করেছিলেন ১৭০ রান। ওই মৌসুমে ৪৩.৪১ গড়ে ৭৩৮ রান করেছিলেন রেনশ।

কুইন্সল্যান্ড - উইকিপিডিয়া

এই মাঠে স্বাগতিকরা চাইবে বাংলাদেশের উপর রানের বন্যা বয়ে দিতে। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার স্টিভেন স্মিথ,ক্যমেরুন গ্রীন,অ্যালেক্স ক্যারি, ট্রাভিস হেড মার্নাস লাবুশানেদের সঙ্গে রেনশ জ্বলে উঠেন তাহলে বাংলাদেশের জন্য ভয়ের কারণ তা নিশ্চিত বলা যায়।তবে প্রথম টেস্টে অতিথি বোলাররা যেভাবে পারফর্ম করে আলো ছড়িয়েছেন তাতে আত্মবিশ্বাসে টগবগ থাকারই কথা। ফলে লড়াইটা সেয়ানে সেয়ানে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

অতীতের ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাস বলছে এই পিচ ব্যাটাদের জন্য স্বর্গীয়। ঘরোয়া সীমিত ওভারে ৪৩১ রান সর্বোচ্ছ স্কোর। এই উইকেটে ভালো বাউন্স এবং ক্যারি থাকে, যার ফলে ব্যাটাররা খুব সহজে শট খেলতে পারেন। তবে পেসারদের জন্যও ইনিংসের শুরুর দিকটা অনুকুলে থাকতে পারে। ম্যাচের শুরুর দিকে নতুন বলে পেস বোলাররা পিচ থেকে ভালো গতি ও অতিরিক্ত বাউন্স আদায় করতে পারবেন। সঠিক লেন্থে বল করতে পারলে পেসাররা এখানে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।তবে ম্যাচে চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে পিচ ভেঙ্গে যাওয়াপর সম্ভাবনা থাকে বলে স্পিনারদের জন্য আদর্শ হয়ে উঠে। এ সময় ভালো টার্ন, ও কিছুটা বাড়তি সুবিধা এনে দিতে পারে।  টস জয়ী দল প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যাতে শুরুর আর্দ্রতা ও বাউন্স কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে দ্রুত চেপে ধরা যায়।