ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কঙ্গোর ঝাকনিতে কাঁপলো থ্রি লায়নস, কেইনের জোড়া গোলে জয়ের স্বস্তি

ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিক অফের সাত মিনিটেই গোল! শুধু তাই নয়, বল দখলের নিয়ন্ত্রণ,ফুটবলা্রদের গতি আর পাসিং, প্লেসিংয়ে কঙ্গোর ছন্দময ফুটবলের সামনে যেন খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিলো না ইংলিশদের৷


বিরতির আগ মূহুর্ত পর্যন্ত  এমন দৃশ্য দেখার পর ইংল্যান্ডকে নিয়ে জয় ভাবনাটাই ছিল যেন হিমালয়ের পাদদেশ থেকে কোন আরহীর দূর্গম পথ যাত্রার দুস্বপ্ন৷ কিন্তু পেশাদার ফুটবল যেখানে হয়, তারা তো থেমে যাওয়ার নয়৷ প্রায় সারা পৃথিবীর এক সময়ের শাসক দেশ ব্রিটিশ নাবিকরা জানে কি করে উত্তাল ঢেউ ঠান্ডা মাথায় অতিক্রম করতে হয়৷ নাবিক হয়ে আবিভার্ব হওয়া কেইনের জোড়া গোলে ব্রিটিশরাই জিতে নিল ম্যাচ, ২-১ গোলের ব্যবধানে৷

অথচ ম্যাচের মাত্র ৭ম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়ে বিদায়ের শঙ্কায় কাঁপছিল থ্রি লায়ন্সরা। চ্যান্সেল এমবেম্বার বাড়ানো লম্বা পাস থেকে নিচু শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। জাতীয় দলের হয়ে এটিই সিপেঙ্গার প্রথম গোল৷  শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে কঙ্গোর ঐতিহাসিক জয়রথ থামিয়ে দেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

১০ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে ইংল্যান্ডকে জেতালেন কেইন

মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে প্রদর্শিত এই দৃশ্য যেন ইংল্যান্ডর ফুটবলে নতুন কোন এক নাটকীয় গল্প৷ দারুণ প্রত্যাবর্তন, দারুণ এক জয়৷ সমর্থকদের তাতে বাধভাঙ্গা উচ্ছাসই হওয়ার কথা৷ পরাজয়ের কিনারা থেকে ম্যাচ জয়ের আনন্দতেও থাকে ভিন্নতা৷

অথচ ম্যাচের ৭৫ মিনিট পর্যন্ত লাগাম টেনে ধরেছিলো কঙ্গো৷ যদিও পাল্টা আক্রমনেও ছিল ব্রিটিশ ফুটবলাররা৷ গোল খাওয়ার পর জুড বেলিংহ্যাম এবং হ্যারি কেইন একের পর এক আক্রমণ করেও স্বস্তির গোল পায়নি৷ তাদের এই আক্রমনগুলো দক্ষতায় রুখে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি।
প্রথমার্ধেই ডিআর কঙ্গোর ফুটবলার অ্যারন ওয়ান-বিসাকা গোললাইন থেকে মার্কাস রাশফোর্ডের শট ক্লিয়ার করে ব্যবধান ধরে রাখেন৷
তবে কাউন্টার অ্যাটাকে ৪৩তম মিনিটে ইয়োনে উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরে না আসলে প্রথমার্ধেই কঙ্গো ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত৷
এক গোল পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার পর থমাস টুখেলের শির্ষরা মাঠ ফিরেছে নতুন এক উদ্দীপনায়৷

৭৫ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় অ্যান্টনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে ইংল্যান্ডকে ১-১ সমতায় ফেরান কেইন। এরপর ম্যাচের শেষ হুইসাল বাজানোর চার মিনিট বাকি থকতে ৮৬ মিনিটে জয়সূচক৷ গর্ডনের পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে বুলেটের গতিতে (ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিমি) শট নেন কেইন। গোলরক্ষক এমপাসি কিছু বুঝে ওঠার আগেই বল জড়ায় জালের ছাদে। কঙ্গোর লড়াকু প্রতিরোধ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়৷ ইংল্যান্ড২-১ গোলের জয় পেয়ে পৌছে যায় শেষ ষোলতে৷

টানা দুই গোল করে পেলের গোলের রেকর্ড টপকালেন কেইন৷ বিশ্বকাপে তার সর্বমোট গোলের সংখ্যা ১৩৷ আর পেলের খাতায় রয়েছে ১২টি গোল৷
পিছিয়ে থেকে ম্যাচ জেতাতেও রয়েছে ইতিহাস৷ ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করেও ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে (Estadio Azteca) সহ-আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে তারা।

ম্যচ শেষে দুই কোচের প্রতিক্রিয়া

➡️ England Boss Hails Mayele's Dangerous DRC 😬 England coach Thomas Tuchel  is aware of the challenge that lies ahead for his team when they face  Fiston Mayele's Democratic Republic of Congo (

‘এ যেন পাথর ভেঙ্গে ফেলার মতো কষ্টকর’

ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল তার প্রতিক্রিয়া ম্যাচটিকে পাথর ভাঙ্গার মতো কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে তুলনা করেছেন৷ তিনি বলেন, “একটি পাথরে আঘাত করতে করতে সেটি ভেঙে ফেলার মতো কষ্টকর। ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল তার প্রতিক্রিয়া ম্যাচটিকে পাথর ভাঙ্গার মতো কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে তুলনা করেছেন৷ তিনি বলেন, “একটি পাথরে আঘাত করতে করতে সেটি ভেঙে ফেলার মতো কষ্টকর। তিনি বলেন, শুরুতেই গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়া সত্ত্বেও তার দল ধৈর্য হারায়নি। “ তিনি বলেন, শুরুতেই গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়া সত্ত্বেও তার দল ধৈর্য হারায়নি। “

দলের সর্বোচ্চ স্তরের দলীয় সংহতি ও ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তবে পরের ম্যাচগুলো নিয়ে সতর্ক কোচ৷ তিনি বলেন,  বিশ্বকাপের অন্যান্য বড় দলগুলোর অঘটনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই জয়টি দলকে মাটিতে পা রাখতে এবং প্রতিটি ম্যাচকে গুরুত্ব সহকারে নিতে সাহায্য করবে

 সামর্থের প্রমান দিয়েছে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়া এবং ফেভারিটদের কাঁপিয়ে দেওয়া তাদের ফুটবল ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কঙ্গোর ফুটলাররা সামর্থের পরিচয় দিয়েছে

Coach Desabre Hails DR Congo After Ending Super Eagles' Push For 2026 World  Cup | Naija News

বিশ্বমঞ্চে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কঙ্গোর খেলোয়াড়রা যেভাবে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে, তাতে কোচ দেশব্রা হ্যালিস অত্যন্ত গর্বিত। ম্যাচ শুরুর আগেই তিনি বলেছিলেন তাদের হারানোর কিছু নেই। ম্যাচ শেষেও তিনি একই সুর ধরে রেখে বলেন, আফ্রিকার দল হিসেবে তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পেরেছেন।

৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়া এবং ফেভারিটদের কাঁপিয়ে দেওয়া তাদের ফুটবল ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কঙ্গোর ঝাকনিতে কাঁপলো থ্রি লায়নস, কেইনের জোড়া গোলে জয়ের স্বস্তি

আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

কিক অফের সাত মিনিটেই গোল! শুধু তাই নয়, বল দখলের নিয়ন্ত্রণ,ফুটবলা্রদের গতি আর পাসিং, প্লেসিংয়ে কঙ্গোর ছন্দময ফুটবলের সামনে যেন খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিলো না ইংলিশদের৷


বিরতির আগ মূহুর্ত পর্যন্ত  এমন দৃশ্য দেখার পর ইংল্যান্ডকে নিয়ে জয় ভাবনাটাই ছিল যেন হিমালয়ের পাদদেশ থেকে কোন আরহীর দূর্গম পথ যাত্রার দুস্বপ্ন৷ কিন্তু পেশাদার ফুটবল যেখানে হয়, তারা তো থেমে যাওয়ার নয়৷ প্রায় সারা পৃথিবীর এক সময়ের শাসক দেশ ব্রিটিশ নাবিকরা জানে কি করে উত্তাল ঢেউ ঠান্ডা মাথায় অতিক্রম করতে হয়৷ নাবিক হয়ে আবিভার্ব হওয়া কেইনের জোড়া গোলে ব্রিটিশরাই জিতে নিল ম্যাচ, ২-১ গোলের ব্যবধানে৷

অথচ ম্যাচের মাত্র ৭ম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়ে বিদায়ের শঙ্কায় কাঁপছিল থ্রি লায়ন্সরা। চ্যান্সেল এমবেম্বার বাড়ানো লম্বা পাস থেকে নিচু শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। জাতীয় দলের হয়ে এটিই সিপেঙ্গার প্রথম গোল৷  শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে কঙ্গোর ঐতিহাসিক জয়রথ থামিয়ে দেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

১০ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে ইংল্যান্ডকে জেতালেন কেইন

মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে প্রদর্শিত এই দৃশ্য যেন ইংল্যান্ডর ফুটবলে নতুন কোন এক নাটকীয় গল্প৷ দারুণ প্রত্যাবর্তন, দারুণ এক জয়৷ সমর্থকদের তাতে বাধভাঙ্গা উচ্ছাসই হওয়ার কথা৷ পরাজয়ের কিনারা থেকে ম্যাচ জয়ের আনন্দতেও থাকে ভিন্নতা৷

অথচ ম্যাচের ৭৫ মিনিট পর্যন্ত লাগাম টেনে ধরেছিলো কঙ্গো৷ যদিও পাল্টা আক্রমনেও ছিল ব্রিটিশ ফুটবলাররা৷ গোল খাওয়ার পর জুড বেলিংহ্যাম এবং হ্যারি কেইন একের পর এক আক্রমণ করেও স্বস্তির গোল পায়নি৷ তাদের এই আক্রমনগুলো দক্ষতায় রুখে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি।
প্রথমার্ধেই ডিআর কঙ্গোর ফুটবলার অ্যারন ওয়ান-বিসাকা গোললাইন থেকে মার্কাস রাশফোর্ডের শট ক্লিয়ার করে ব্যবধান ধরে রাখেন৷
তবে কাউন্টার অ্যাটাকে ৪৩তম মিনিটে ইয়োনে উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরে না আসলে প্রথমার্ধেই কঙ্গো ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত৷
এক গোল পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার পর থমাস টুখেলের শির্ষরা মাঠ ফিরেছে নতুন এক উদ্দীপনায়৷

৭৫ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় অ্যান্টনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে ইংল্যান্ডকে ১-১ সমতায় ফেরান কেইন। এরপর ম্যাচের শেষ হুইসাল বাজানোর চার মিনিট বাকি থকতে ৮৬ মিনিটে জয়সূচক৷ গর্ডনের পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে বুলেটের গতিতে (ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিমি) শট নেন কেইন। গোলরক্ষক এমপাসি কিছু বুঝে ওঠার আগেই বল জড়ায় জালের ছাদে। কঙ্গোর লড়াকু প্রতিরোধ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়৷ ইংল্যান্ড২-১ গোলের জয় পেয়ে পৌছে যায় শেষ ষোলতে৷

টানা দুই গোল করে পেলের গোলের রেকর্ড টপকালেন কেইন৷ বিশ্বকাপে তার সর্বমোট গোলের সংখ্যা ১৩৷ আর পেলের খাতায় রয়েছে ১২টি গোল৷
পিছিয়ে থেকে ম্যাচ জেতাতেও রয়েছে ইতিহাস৷ ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করেও ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে (Estadio Azteca) সহ-আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে তারা।

ম্যচ শেষে দুই কোচের প্রতিক্রিয়া

➡️ England Boss Hails Mayele's Dangerous DRC 😬 England coach Thomas Tuchel  is aware of the challenge that lies ahead for his team when they face  Fiston Mayele's Democratic Republic of Congo (

‘এ যেন পাথর ভেঙ্গে ফেলার মতো কষ্টকর’

ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল তার প্রতিক্রিয়া ম্যাচটিকে পাথর ভাঙ্গার মতো কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে তুলনা করেছেন৷ তিনি বলেন, “একটি পাথরে আঘাত করতে করতে সেটি ভেঙে ফেলার মতো কষ্টকর। ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল তার প্রতিক্রিয়া ম্যাচটিকে পাথর ভাঙ্গার মতো কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে তুলনা করেছেন৷ তিনি বলেন, “একটি পাথরে আঘাত করতে করতে সেটি ভেঙে ফেলার মতো কষ্টকর। তিনি বলেন, শুরুতেই গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়া সত্ত্বেও তার দল ধৈর্য হারায়নি। “ তিনি বলেন, শুরুতেই গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়া সত্ত্বেও তার দল ধৈর্য হারায়নি। “

দলের সর্বোচ্চ স্তরের দলীয় সংহতি ও ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তবে পরের ম্যাচগুলো নিয়ে সতর্ক কোচ৷ তিনি বলেন,  বিশ্বকাপের অন্যান্য বড় দলগুলোর অঘটনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই জয়টি দলকে মাটিতে পা রাখতে এবং প্রতিটি ম্যাচকে গুরুত্ব সহকারে নিতে সাহায্য করবে

 সামর্থের প্রমান দিয়েছে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়া এবং ফেভারিটদের কাঁপিয়ে দেওয়া তাদের ফুটবল ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কঙ্গোর ফুটলাররা সামর্থের পরিচয় দিয়েছে

Coach Desabre Hails DR Congo After Ending Super Eagles' Push For 2026 World  Cup | Naija News

বিশ্বমঞ্চে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কঙ্গোর খেলোয়াড়রা যেভাবে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে, তাতে কোচ দেশব্রা হ্যালিস অত্যন্ত গর্বিত। ম্যাচ শুরুর আগেই তিনি বলেছিলেন তাদের হারানোর কিছু নেই। ম্যাচ শেষেও তিনি একই সুর ধরে রেখে বলেন, আফ্রিকার দল হিসেবে তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পেরেছেন।

৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়া এবং ফেভারিটদের কাঁপিয়ে দেওয়া তাদের ফুটবল ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।