ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ছন্দে ফিরলো ব্রাজিল, জয়ে ফিরেছে মরক্কো ও প্যারাগুয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ১২৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বকাপ মঞ্চে ছন্দে ফিরলো ব্রাজিল। জয়ের দেখা পেয়েছে মরক্কো ও প্যারাগুয়ে।তবে আগের দিন দক্ষিণ কোরিয়ার পরাজয়টা ছিলো দলটির জন্য হতাশার। পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য বজায় রেখেও হেরে যায় এশিয়ার শক্তিধর এই দলটি। আজকের ম্যাচেও তেমনি এক ম্যাচের চিত্র দেখতে পেয়েছে ফুটবল বিশ্ব। আর সেটি হচ্ছে প্যারাগুয়ের কাছে তুরষ্কের অপ্রত্যাশিত পরাজয়। সারা ম্যাচজুড়ে প্যারাগুয়ের উপর আধিপত্য ছিলো তুর্কীদের। এমন কি দশজনের দল নিয়েও তুরস্ক আক্রমনের চাপ রেখেছিলো প্যারাগুয়ের উপর। কিন্তু ফুটবল হচ্ছে গোলের খেলা,আক্রমনে পিছিয়ে থেকেও প্যারাগুয়ে সেই কাজটি করে ম্যাচ জয়ে মাঠ ছেড়েছে। হেরে গেছে তরুস্ক।

হাইতিকে উড়িয়ে ছন্দে ফিরল ব্রাজিল

বিশ্বকাপ মঞ্চের প্রথম ম্যাচেই মরক্কোর সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে ব্রাজিল। এ নিয়ে হতাশায় ছিলো ব্রাজিল সমর্থকরা। অবশেষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই ছন্দে ফিরলো ব্রাজিল।ম্যাথিউস কুনিয়া আর ভিনিসিউসের ঝলকে পেল প্রত্যাশিত ৩-০ গোলের বড় জয়। কুনিয়ার জোড়া গোলের পর ভিনিসিউস বিশ্বকাপে পান নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা অবশ্য বাকি দুই গোলেই রেখেছেন ভূমিকা।

Mexico

হাইতির বিপক্ষে জয় ছিলো প্রত্যাশিত। ক্যারিবিয়ান দেশটির বিপক্ষে দশ বছর আগে সর্বশেষ দেখায় ব্রাজিল জিতেছিলো ৭-১ গোলে। শক্তির তফাত তাই স্পষ্ট। কিন্তু মরক্কো ম্যাচের পর ব্রাজিলের এক্সপোজড হওয়া মিডফিল্ড সমর্থকদের দিচ্ছিলো না ভরসা।

কার্যকর ভূমিকায় দেখা যাচ্ছিলো না ব্রাজিলের নাম্বার নাইন পজিশনের। এই ম্যাচে নয় নাম্বার নিয়ে সে হাহাকার আর বাড়েনি। আগের ম্যাচে বিবর্ণ খেলা ইগোর থিয়াগোর বদলে কুনিয়াকে দেয়া হয় সুযোগ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা প্রথাগত সেন্টার ফরোয়ার্ড নন। তিনি একটু নিচে থেকে বল তৈরি করার কাজটাও করছিলেন। ফলে মিডফিল্ডের কাজটাও সহজ হয়েছে।

ব্রাজিল গোল তিনটি করেছে যথাক্রমে ১৩,৩৬ ও প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়। গোল তিনটি করেন যথাক্রমে মাতেউস কুনিয়া দুটি ও ভিনিসিয়াস জুনিয়র।

 জয়ে ফিরেছে মরক্কো

কিক অফের ১৪ সেকেন্ড পর বল পায় মরক্কো। ৫৬ সেকেন্ডই পায় গোলের দেখা।  সবমিলিয়ে ৭১ সেকেন্ডে চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়লেন মরক্কোর অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ইসমায়েল সাইবারি। পুরো ম্যাচে আর কোনো গোল না হওয়ায় স্কটল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে হারাল মরক্কো।

Image

মরক্কো-স্কটল্যান্ড ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল গ্রুপে শীর্ষে থাকার বিষয়। একইসঙ্গে নকআউট পর্বে তারা সহজ নাকি কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে সেটিও নির্ধারণি ছিলো এই ম্যাচের ওপর। ব্রাজিল সেই বৈতরনী পার করেছে হাইতির বিপক্ষে তিন গোল করে। মরকোর খাতায় দুই ম্যাচে দুই গোল আর ব্রাজিলের খাতায় দুই ম্যাচে যুক্ত হলো চার গোল। গোল ব্যবধানের শীর্ষে থেকে ব্রাজিল উঠে গেলো সবার উপরে।

ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই স্কটল্যান্ডের দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে এগিয়ে যান সাইবারি। এরপর ব্রাহিম দিয়াজ চমৎকার একটি লব পাস বাড়িয়ে দেন তার উদ্দেশে। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সাইবারি শক্তিশালী শটে জাল কাঁপান। স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুন কোনোভাবেই সেই শট ঠেকাতে পারেননি। সাইবারি আফ্রিকার দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই গোল করলেন।

তুরস্ককে হারিয়ে টিকে রইল প্যারাগুয়ে
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই মাতিয়াস গালার্জার গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। এরপর দুই দলই পাল্টাপাল্টি আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে। তবে প্রথমার্ধের শেষদিকে অধিনায়ক মিগেল আলমিরন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে বড় চাপে পড়ে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তবুও সংগঠিত রক্ষণ আর গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত এক গোলের সেই ব্যবধান ধরে রেখে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় প্যারাগুয়ে।

matias galarza

শনিবার সানফ্রানসিসকোর বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ফিফা বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে। এই হারের ফলে তুরস্কের নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল প্যারাগুয়ে। ঘরের মাঠে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো দলগুলোকেও হারিয়ে দেয় তারা। তবে আসরের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হতাশাজনক পরাজয়ে চাপে পড়ে দলটি। সেই ধাক্কা কাটিয়ে তুরস্কের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে আবারও লড়াইয়ে ফিরল তারা।

একজন কম নিয়ে পুরো দ্বিতীয়ার্ধ খেলতে হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রক্ষণাত্মক কৌশল নিতে বাধ্য হয় প্যারাগুয়ে। ম্যাচে মাত্র ২১ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে তারা। গোলমুখে ৭টি শট নিয়ে ২টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। অন্যদিকে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখানো তুরস্ক ৩২টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র ৫টি। সুযোগের পর সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তুর্কিদের।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ছন্দে ফিরলো ব্রাজিল, জয়ে ফিরেছে মরক্কো ও প্যারাগুয়ে

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ মঞ্চে ছন্দে ফিরলো ব্রাজিল। জয়ের দেখা পেয়েছে মরক্কো ও প্যারাগুয়ে।তবে আগের দিন দক্ষিণ কোরিয়ার পরাজয়টা ছিলো দলটির জন্য হতাশার। পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য বজায় রেখেও হেরে যায় এশিয়ার শক্তিধর এই দলটি। আজকের ম্যাচেও তেমনি এক ম্যাচের চিত্র দেখতে পেয়েছে ফুটবল বিশ্ব। আর সেটি হচ্ছে প্যারাগুয়ের কাছে তুরষ্কের অপ্রত্যাশিত পরাজয়। সারা ম্যাচজুড়ে প্যারাগুয়ের উপর আধিপত্য ছিলো তুর্কীদের। এমন কি দশজনের দল নিয়েও তুরস্ক আক্রমনের চাপ রেখেছিলো প্যারাগুয়ের উপর। কিন্তু ফুটবল হচ্ছে গোলের খেলা,আক্রমনে পিছিয়ে থেকেও প্যারাগুয়ে সেই কাজটি করে ম্যাচ জয়ে মাঠ ছেড়েছে। হেরে গেছে তরুস্ক।

হাইতিকে উড়িয়ে ছন্দে ফিরল ব্রাজিল

বিশ্বকাপ মঞ্চের প্রথম ম্যাচেই মরক্কোর সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে ব্রাজিল। এ নিয়ে হতাশায় ছিলো ব্রাজিল সমর্থকরা। অবশেষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই ছন্দে ফিরলো ব্রাজিল।ম্যাথিউস কুনিয়া আর ভিনিসিউসের ঝলকে পেল প্রত্যাশিত ৩-০ গোলের বড় জয়। কুনিয়ার জোড়া গোলের পর ভিনিসিউস বিশ্বকাপে পান নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা অবশ্য বাকি দুই গোলেই রেখেছেন ভূমিকা।

Mexico

হাইতির বিপক্ষে জয় ছিলো প্রত্যাশিত। ক্যারিবিয়ান দেশটির বিপক্ষে দশ বছর আগে সর্বশেষ দেখায় ব্রাজিল জিতেছিলো ৭-১ গোলে। শক্তির তফাত তাই স্পষ্ট। কিন্তু মরক্কো ম্যাচের পর ব্রাজিলের এক্সপোজড হওয়া মিডফিল্ড সমর্থকদের দিচ্ছিলো না ভরসা।

কার্যকর ভূমিকায় দেখা যাচ্ছিলো না ব্রাজিলের নাম্বার নাইন পজিশনের। এই ম্যাচে নয় নাম্বার নিয়ে সে হাহাকার আর বাড়েনি। আগের ম্যাচে বিবর্ণ খেলা ইগোর থিয়াগোর বদলে কুনিয়াকে দেয়া হয় সুযোগ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা প্রথাগত সেন্টার ফরোয়ার্ড নন। তিনি একটু নিচে থেকে বল তৈরি করার কাজটাও করছিলেন। ফলে মিডফিল্ডের কাজটাও সহজ হয়েছে।

ব্রাজিল গোল তিনটি করেছে যথাক্রমে ১৩,৩৬ ও প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়। গোল তিনটি করেন যথাক্রমে মাতেউস কুনিয়া দুটি ও ভিনিসিয়াস জুনিয়র।

 জয়ে ফিরেছে মরক্কো

কিক অফের ১৪ সেকেন্ড পর বল পায় মরক্কো। ৫৬ সেকেন্ডই পায় গোলের দেখা।  সবমিলিয়ে ৭১ সেকেন্ডে চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়লেন মরক্কোর অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ইসমায়েল সাইবারি। পুরো ম্যাচে আর কোনো গোল না হওয়ায় স্কটল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে হারাল মরক্কো।

Image

মরক্কো-স্কটল্যান্ড ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল গ্রুপে শীর্ষে থাকার বিষয়। একইসঙ্গে নকআউট পর্বে তারা সহজ নাকি কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে সেটিও নির্ধারণি ছিলো এই ম্যাচের ওপর। ব্রাজিল সেই বৈতরনী পার করেছে হাইতির বিপক্ষে তিন গোল করে। মরকোর খাতায় দুই ম্যাচে দুই গোল আর ব্রাজিলের খাতায় দুই ম্যাচে যুক্ত হলো চার গোল। গোল ব্যবধানের শীর্ষে থেকে ব্রাজিল উঠে গেলো সবার উপরে।

ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই স্কটল্যান্ডের দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে এগিয়ে যান সাইবারি। এরপর ব্রাহিম দিয়াজ চমৎকার একটি লব পাস বাড়িয়ে দেন তার উদ্দেশে। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সাইবারি শক্তিশালী শটে জাল কাঁপান। স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুন কোনোভাবেই সেই শট ঠেকাতে পারেননি। সাইবারি আফ্রিকার দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই গোল করলেন।

তুরস্ককে হারিয়ে টিকে রইল প্যারাগুয়ে
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই মাতিয়াস গালার্জার গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। এরপর দুই দলই পাল্টাপাল্টি আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে। তবে প্রথমার্ধের শেষদিকে অধিনায়ক মিগেল আলমিরন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে বড় চাপে পড়ে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তবুও সংগঠিত রক্ষণ আর গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত এক গোলের সেই ব্যবধান ধরে রেখে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় প্যারাগুয়ে।

matias galarza

শনিবার সানফ্রানসিসকোর বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ফিফা বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে। এই হারের ফলে তুরস্কের নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল প্যারাগুয়ে। ঘরের মাঠে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো দলগুলোকেও হারিয়ে দেয় তারা। তবে আসরের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হতাশাজনক পরাজয়ে চাপে পড়ে দলটি। সেই ধাক্কা কাটিয়ে তুরস্কের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে আবারও লড়াইয়ে ফিরল তারা।

একজন কম নিয়ে পুরো দ্বিতীয়ার্ধ খেলতে হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রক্ষণাত্মক কৌশল নিতে বাধ্য হয় প্যারাগুয়ে। ম্যাচে মাত্র ২১ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে তারা। গোলমুখে ৭টি শট নিয়ে ২টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। অন্যদিকে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখানো তুরস্ক ৩২টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র ৫টি। সুযোগের পর সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তুর্কিদের।