ঢাকার বায়ুদূষণ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
অনলাইন ডেস্ক
- আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার দীর্ঘদিনের অব্যাহত বায়ুদূষণকে দেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জার বিষয় বলে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে তিনি পরিবেশ ও বন রক্ষায় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান । একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের রুটিন দায়িত্বের বাইরে গিয়েও পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী৷
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নবিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন
প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “অনেক বছর ধরে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে, যা দেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক৷ এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে৷
পরিবেশ রক্ষায় সরকারি কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা শুধু নির্ধারিত অফিস সময় পার করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না৷ পরিবেশের বিপর্যয় ঘটলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দায়িত্বের বাইরে গিয়েও অতিরিক্ত কিছু করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।”
সরকারের আগামী দিনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে । এই কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের মানুষ দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাবে। তিনি আরও নির্দেশনা দেন যে, অন্য কোনো মন্ত্রণালয় যদি তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী গাছ লাগাতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই ঘাটতি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে পূরণ করতে হবে । পাশাপাশি রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও বেঁচে থাকার হার তদারকি করার নির্দেশ দেন তিনি।
প্রকৃতির সান্নিধ্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের বিনোদনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশের অভাব রয়েছে । তাই সাধারণ মানুষকে ছাদবাগান, স্কুলবাগান এবং বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে উৎসাহিত করতে হবে। এ ছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে বনায়ন সম্প্রসারণ এবং বনের ‘মাদার ট্রি’ (মাতৃবৃক্ষ) চিহ্নিত করে তা সংরক্ষণের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান জানান, সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা




















