মালিবংওয়ে মাকেতা শান্তদের প্রধান কোচ
- আপডেট সময় : ১০:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ কোচ মালিবংওয়ে মাকেতা। এ ছাড়া জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডেভিড হ্যাম্প৷ ৫৫ বছর বয়স্ক হ্যাম্প এর আগেও বাংলাদেশ হাইপারফরমেন্স কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন৷ বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের হেড কোচ হিসেবে দুই বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন৷
অন্যদিকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জাতীয় দলের কোচ মালিবংওয়ে মাকেতার নাম প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, আগামী দুই বছরের জন্য মাকেতার সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে এই চুক্তি কার্যকর থাকবে ২০২৮ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজেই জাতীয় দলের কোচিং বহরে যোগ দেবেন তিনি।
৪৬ বছর বয়সী মাকেতা দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের লেভেল-৪ ডিগ্রিধারী কোচ। কোচিং জগতে তার দুই দশকেরও বেশি সময়ের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দল থেকে শুরু করে ‘এ’ দল, অনূর্ধ্ব-১৯ দল, ন্যাশনাল একাডেমি এবং ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি ওয়ারিয়র্সের প্রধান কোচ হিসেবে সফলভাবে কাজ করার রেকর্ড রয়েছে তার।
২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় পুরুষ দলের সহকারী কোচ ছিলেন তিনি। ২০১৯ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম প্রধান কোচিং সদস্যের দায়িত্ব পালন ছাড়াও ভারত, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত টেস্ট ও ওডিআই সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
সাউথ আফ্রিকান ন্যাশনাল একাডেমি ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ থাকার কারণে উদীয়মান ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক মানের উপযোগী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মাকেতার বিশেষ সুনাম রয়েছে। সম্প্রতি তার অধীনেই দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল ‘সিএসএ ওয়ানডে কাপ ডিভিশন ২’ শিরোপা জেতে এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলে আনেন তিনি।
বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে উচ্ছ্বসিত মাকেতা। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় দলের সহকারী কোচের গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দলের সাফল্যে ইতিবাচক অবদান রাখার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বাংলাদেশ একটি তরুণ ও সম্ভাবনাময় দল। হেড কোচ ফিল সিমন্স এবং অন্যান্য কোচিং স্টাফদের সাথে মিলে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি; আমরা খেলোয়াড়দের সেরাটা বের করে আনতে এবং তাদের ধারাবাহিক উন্নয়নে সহায়তা করব।’












