বিলুপ্ত হচ্ছে র্যাব,নতুন বাহিনী ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’
- আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ৪৪ বার পড়া হয়েছে
২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের সময় গঠিত হয়েছিল র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)৷ আবার একই সরকারের সময় বিলুপ্ত হচ্ছে র্যাব৷ গঠিত হচ্ছে নতুন বাহিনী ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)৷ এ সংক্রান্ত আইন ২০২৬’-এর খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে সর্বসাধারণের মতামত নেওয়া হবে।
এতে বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে সুসংহতকরণ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সমুন্নত রাখতে দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯-এর অধীন গঠিত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে বাংলাদেশ পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন ও এর নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন। এজন্য স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হলো।
আরও বলা হয়, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন ইউনিটের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত একটি প্রতীক (লোগো), পতাকা ও সুনির্দিষ্ট পোশাক থাকবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এর নেতৃত্বে থাকবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন গঠন করা যাবে। বাহিনীর সদর দফতর থাকবে ঢাকায়, তবে দেশের যেকোনো স্থানে ইউনিট স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্যদের প্রেষণে এনে এই ইউনিট গঠন করা যাবে। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ সম্পর্কিত আইনসাপেক্ষে কোনো সদস্যকে নির্ধারিত শর্তাধীনে এই ইউনিটের চাকরিতে প্রেষণে নিযুক্ত বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) গড়ে তোলা হয়েছিল, শীর্ষ সন্ত্রাসী, দাগী ও দুর্ধর্ষ জঙ্গি দমনের উদ্দেশ্যে।
কিন্তু পরবর্তীতে এই বাহিনীর কর্মকান্ড দেশের আইন শৃঙ্খলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে৷ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় সবচে বেশি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠে৷ রাজনৈতিকভাবে গুম,খুন এবং আয়না ঘরের সাথে জড়িয়ে পড়ার গুরুতর অভিযোগ উঠে আসে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে৷




















