ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দাবি আদায়ে যমুনামুখী জুলাই অভ্যুত্থানে আহতরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ২৬৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতরা প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা মুখী হচ্ছেন। তাদের দাবি সুচিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান। সরকারকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে দায়িত্বশীল কেউ যোগাযোগ না করলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখপাত্র মোহাম্মদ শরীফ এ ঘোষণা দেন। এর আগে ৪টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে সচিবালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়।

শরিফ বলেন, আমাদের দু’জন সহযোদ্ধা আহত হওয়ায় ৪টার পরিবর্তে ৬টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিলাম। এর মধ্যে যদি কোনো উপদেষ্টা দেখা না করেন, তাহলে আমরা সচিবালয় নয়, সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করতে যাব।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রাস্তা বন্ধ করতে আমাদের বাধ্য করেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতরা কী করছে, কী খাচ্ছে, কোথায় থাকছে— সেই খবর কেউ নিচ্ছে না। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতরা বুঝে গেছে, সব বাটপার। আমরা হাসিনার বন্দুকের গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিলাম। অন্ধ হয়ে গেছি, খোড়া হয়ে গেছি, ভয় করি নাই। যদি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতদের সঙ্গে বেঈমানি করা হয়, হাসিনা গেছে যে পথে তারাও যাবে সেই পথে।

দায়িত্বশীল কেউ না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জুলাই আন্দোলনে আহতদের এই নেতা বলেন, আমরা গতকাল রাত থেকে আন্দোলন করছি। এখন পর্যন্ত কোনো উপদেষ্টা আমাদের এখানে যোগাযোগ করেনি। আমরা ৬টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিলাম। দরকার হলে আমরা কেউ শরীরে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।

এর আগে সকাল থেকে পঙ্গু হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন আহতরা। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় অর্থোপেডিক ইনস্টিটিউট ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের সামনে থেকে সরে গিয়ে তারা শ্যামলী শিশুমেলা মোড়ে অবস্থান নেয়। এসময় তারা নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দাবি আদায়ে যমুনামুখী জুলাই অভ্যুত্থানে আহতরা

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতরা প্রধান ‍উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা মুখী হচ্ছেন। তাদের দাবি সুচিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান। সরকারকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে দায়িত্বশীল কেউ যোগাযোগ না করলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখপাত্র মোহাম্মদ শরীফ এ ঘোষণা দেন। এর আগে ৪টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে সচিবালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়।

শরিফ বলেন, আমাদের দু’জন সহযোদ্ধা আহত হওয়ায় ৪টার পরিবর্তে ৬টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিলাম। এর মধ্যে যদি কোনো উপদেষ্টা দেখা না করেন, তাহলে আমরা সচিবালয় নয়, সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করতে যাব।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রাস্তা বন্ধ করতে আমাদের বাধ্য করেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতরা কী করছে, কী খাচ্ছে, কোথায় থাকছে— সেই খবর কেউ নিচ্ছে না। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতরা বুঝে গেছে, সব বাটপার। আমরা হাসিনার বন্দুকের গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিলাম। অন্ধ হয়ে গেছি, খোড়া হয়ে গেছি, ভয় করি নাই। যদি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতদের সঙ্গে বেঈমানি করা হয়, হাসিনা গেছে যে পথে তারাও যাবে সেই পথে।

দায়িত্বশীল কেউ না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জুলাই আন্দোলনে আহতদের এই নেতা বলেন, আমরা গতকাল রাত থেকে আন্দোলন করছি। এখন পর্যন্ত কোনো উপদেষ্টা আমাদের এখানে যোগাযোগ করেনি। আমরা ৬টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিলাম। দরকার হলে আমরা কেউ শরীরে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।

এর আগে সকাল থেকে পঙ্গু হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন আহতরা। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় অর্থোপেডিক ইনস্টিটিউট ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের সামনে থেকে সরে গিয়ে তারা শ্যামলী শিশুমেলা মোড়ে অবস্থান নেয়। এসময় তারা নানা স্লোগান দিতে থাকেন।