ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৫২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহেশখালীতে এক্সিলারেট পরিচালিত টার্মিনালে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। টার্মিনালটি কার্যক্রম শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে আরেক দফা সংকট তৈরি হলো।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ রাত ৮টা পর্যন্ত কেবল সামিটের সরবরাহ ছিল ৫৬ কোটি ঘনফুট। সবমিলিয়ে এই সময় পর্যন্ত মোট সরবরাহের পরিমাণ ২১৮ কোটি ঘনফুট। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরবরাহের পরিমাণ ১৬২ কোটি ঘনফুট।

কক্সবাজারের মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকেই আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হবে। এর ফলে সারা দেশে গ্যাস সংকট বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে কারিগরি সমস্যার কারণে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিট থেকে সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। ওই সময় শুরুতে সামিট থেকে প্রায় ১১ কোটি ঘনফুট গ্যাস দেয়া হলেও রাতে ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হয়েছিল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মহেশখালীতে এক্সিলারেট পরিচালিত টার্মিনালে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। টার্মিনালটি কার্যক্রম শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে আরেক দফা সংকট তৈরি হলো।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ রাত ৮টা পর্যন্ত কেবল সামিটের সরবরাহ ছিল ৫৬ কোটি ঘনফুট। সবমিলিয়ে এই সময় পর্যন্ত মোট সরবরাহের পরিমাণ ২১৮ কোটি ঘনফুট। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরবরাহের পরিমাণ ১৬২ কোটি ঘনফুট।

কক্সবাজারের মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকেই আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হবে। এর ফলে সারা দেশে গ্যাস সংকট বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে কারিগরি সমস্যার কারণে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিট থেকে সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। ওই সময় শুরুতে সামিট থেকে প্রায় ১১ কোটি ঘনফুট গ্যাস দেয়া হলেও রাতে ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হয়েছিল।