নির্বোচনের রোডম্যাপে জামায়াতের সন্তোষ, খুশি হতে পারেনি বিএনপি
- আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫
- / ৪১২ বার পড়া হয়েছে
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষনে প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় সংসদনির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষনা করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষনা মোতাবেক এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের যে কোন দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের ভাষণের পর এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
অন্যদিকে দেশের বৃহৎ দল বিএনপি’র পক্ষ থেকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ খুব একটা খুশি হতে পারেন নি। তিনি তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া মিডিয়া কর্মীদের জানিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী বছরের এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচনের যে সময় ঘোষণা করেছেন তাতে জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছেন। এ ঘোষণায় জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বাংলাদেশের অধিকাংশ দল (৫০টির বেশি দল) পাবলিক পরীক্ষা, আবহাওয়া ও রমজান বিবেচনায় নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিল। সরকার চাইলে সর্বোচ্চ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন দিতে পারতেন, তবে সেটা করা হয়নি।
তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে রমজান শুরু। রমজানের মধ্যে ক্যাম্পেইন করতে হবে, এটা একটা অযৌক্তিক ধারণা। বিএনপির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে।দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলেও জানান সালাহউদ্দিন। তবে মানবিক করিডোর ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বাগত জানান তিনি।
এদিকে জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান তার বিবৃতিতে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূস ৬ জুন সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধের যে কোনো একটি দিনে অনুষ্ঠিত হবে।’ তার এই ঘোষণায় জাতি আশ্বস্ত হয়েছে এবং ঘোষিত সময়ের মধ্যেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে- এটাই জাতির প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, জাতির তীব্র আকাঙ্ক্ষা এখন সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন- এই তিনটি বিষয়ে বাস্তব অগ্রগতি। ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, একটি বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়েই জনগণের প্রকৃত রায় প্রতিফলিত হবে- এমন একটি ভবিষ্যৎ গঠনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।










