যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন আজ, চলছে ভোট গনণা নিয়ে উত্তেজনা
- আপডেট সময় : ১০:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
- / ৪৯ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন। দুই কক্ষবিশিষ্ট কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে মরিয়া ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি। অন্যদিকে নির্বাচনী জরিপে এগিয়ে থাকা ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের আশা করছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এরইমধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন।
এদিকে ভোটের আগে প্রকাশিত একাধিক জরিপে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রার্থীদের সমর্থনের ক্ষেত্রে রিপাবলিকানদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মদক্ষতা নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার বাড়তি উৎসাহ ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখছে বলে জরিপগুলোতে উঠে এসেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগের দিন ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ হাজারের বেশি ভোটারের ব্যালট গণনা স্থগিত রাখতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন খারিজ করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রশাসনের দাবি, ওই ভোটাররা মার্কিন নাগরিক নন। তবে ক্যালিফোর্নিয়া বলছে, এ পদক্ষেপে হাজারো বৈধ ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক এক দিন আগে স্থানীয় সময় সোমবার (২ নভেম্বর) জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে দেশটির বিচার বিভাগ। আবেদনটিতে ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ হাজারের বেশি ভোটারের ব্যালট গণনা বন্ধ রাখার নির্দেশ চাওয়া হয়েছিল। তবে ট্রাম্পের প্রশাসনের করা এই আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের চলমান আইনি লড়াইয়ে এটি সর্বশেষ ঘটনা। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ওই ভোটাররা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন। তবে ক্যালিফোর্নিয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রশাসনের এ পদক্ষেপে হাজারো বৈধ ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেবেন মার্কিন নাগরিকেরা। অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় ও অভিবাসন এবারের নির্বাচনে ভোটারদের প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—দুই দলের ভোটারদেরই উদ্বেগ থাকলেও অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য রয়েছে বলে সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে উঠে এসেছে।
গত রোববার প্রকাশিত এনবিসির এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা নিয়ে ৭৫ শতাংশ উত্তরদাতা অসন্তুষ্ট। আর নিজেদের ব্যক্তিগত আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫১ শতাংশ।
এছাড়া গত অক্টোবরে পরিচালিত অন্যান্য জরিপেও দুই দলের ভোটারদের আর্থিক অবস্থা এবং তাদের কাছে কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—তার চিত্র উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে অর্থনীতিই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন ও অপরাধের মতো বিষয়গুলোর গুরুত্ব নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত পিউ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, নিবন্ধিত ভোটারদের ৮৪ শতাংশ মনে করেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাদের ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে অর্থনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিপাবলিকান প্রার্থীদের পছন্দ করেন এমন ভোটারদের ৮২ শতাংশের কাছে এটি ছিল প্রধান ইস্যু। ডেমোক্র্যাটদের সমর্থকদের মধ্যে এই হার ৮৮ শতাংশ।গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত পিউ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, নিবন্ধিত ভোটারদের ৮৪ শতাংশ মনে করেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাদের ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে অর্থনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিপাবলিকান প্রার্থীদের পছন্দ করেন এমন ভোটারদের ৮২ শতাংশের কাছে এটি ছিল প্রধান ইস্যু। ডেমোক্র্যাটদের সমর্থকদের মধ্যে এই হার ৮৮ শতাংশ।তবে অন্যান্য বিষয় নিয়ে দুই দলের ভোটারদের মতামতে পার্থক্য রয়েছে। ডেমোক্র্যাট পার্টির সমর্থকদের প্রায় ৮৫ শতাংশ গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। রিপাবলিকানদের মধ্যে এ হার ৬৯ শতাংশ। স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন ৮২ শতাংশ ডেমোক্র্যাট, যেখানে রিপাবলিকানদের মধ্যে এ হার ৫৩ শতাংশ।
অভিবাসন নিয়ে রিপাবলিকান সমর্থকদের উদ্বেগ বেশি। তাদের ৭২ শতাংশ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ হার ৫৩ শতাংশ। সহিংস অপরাধও রিপাবলিকান সমর্থকদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে রিপাবলিকানদের ৬৪ শতাংশের উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ হার ৩৭ শতাংশ।
স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা কাইজার ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন (কেএফএফ) গত ১৬ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর একটি জরিপ পরিচালনা করে। এতে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় সামলানোর ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেশি আস্থা রাখেন ৪২ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার। রিপাবলিকানদের ওপর আস্থা রাখেন ২২ শতাংশ।
জীবনযাত্রার ব্যয় সামলানোর ক্ষেত্রেও ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেশি আস্থা রেখেছেন ৩৯ শতাংশ উত্তরদাতা। রিপাবলিকানদের পক্ষে এ হার ২৫ শতাংশ।
এছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে দুই দলের ভোটারদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপে দেখা গেছে, ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ঝোঁক রয়েছে এমন উত্তরদাতাদের ৯১ শতাংশ মনে করেন, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে।
অন্যদিকে রিপাবলিকান সমর্থকদের ৩৯ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্পের নীতি অর্থনীতির উন্নতি করেছে। ৩৫ শতাংশের মতে, এসব নীতি পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। আর ২৫ শতাংশ মনে করেন, অর্থনীতিতে এসব নীতির তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।
তবে অন্যান্য বিষয় নিয়ে দুই দলের ভোটারদের মতামতে পার্থক্য রয়েছে। ডেমোক্র্যাট পার্টির সমর্থকদের প্রায় ৮৫ শতাংশ গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। রিপাবলিকানদের মধ্যে এ হার ৬৯ শতাংশ। স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন ৮২ শতাংশ ডেমোক্র্যাট, যেখানে রিপাবলিকানদের মধ্যে এ হার ৫৩ শতাংশ।
অভিবাসন নিয়ে রিপাবলিকান সমর্থকদের উদ্বেগ বেশি। তাদের ৭২ শতাংশ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ হার ৫৩ শতাংশ। সহিংস অপরাধও রিপাবলিকান সমর্থকদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে রিপাবলিকানদের ৬৪ শতাংশের উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ হার ৩৭ শতাংশ।
স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা কাইজার ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন (কেএফএফ) গত ১৬ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর একটি জরিপ পরিচালনা করে। এতে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় সামলানোর ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেশি আস্থা রাখেন ৪২ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার। রিপাবলিকানদের ওপর আস্থা রাখেন ২২ শতাংশ।
গত ১ নভেম্বর প্রকাশিত এনবিসি নিউজের জরিপে দেখা গেছে, নিবন্ধিত ভোটারদের ৪০ শতাংশ ট্রাম্পের সামগ্রিক কর্মদক্ষতায় সন্তুষ্ট। অসন্তুষ্ট ৬০ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা পণ্যমূল্য ও ব্যয় বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বিগ্ন। তবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশের প্রবণতা রিপাবলিকানদের তুলনায় বেশি।
অক্টোবরে পিউ রিসার্চের এক জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকানদের ৩৬ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে চমৎকার বা ভালো বলে মূল্যায়ন করেছেন। ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ঝোঁক রয়েছে এমন ভোটারদের মধ্যে এ হার মাত্র ৯ শতাংশ।
তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার ব্যয় নিয়ে দুই দলের অধিকাংশ ভোটারই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পিউ রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, খাবার ও ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন ডেমোক্র্যাট এবং তাদের প্রতি ঝোঁক রয়েছে এমন ভোটারদের ৮২ শতাংশ। রিপাবলিকান ও তাদের প্রতি ঝোঁক রয়েছে এমন ভোটারদের মধ্যে এ হার ৬২ শতাংশ।
স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় নিয়ে উদ্বিগ্ন ডেমোক্র্যাটদের ৮০ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৫৭ শতাংশ। পেট্রোল ও জ্বালানির দাম নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ডেমোক্র্যাটদের ৮১ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৬৫ শতাংশের।
১৪ অক্টোবর প্রকাশিত ফক্স নিউজের এক জরিপেও দেখা গেছে, নিবন্ধিত ভোটারদের ৭৪ শতাংশ অর্থনীতিকে নেতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তাদের ৬০ শতাংশ জীবনযাত্রার ব্যয়কে অর্থনীতি নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আর গত ১ নভেম্বর প্রকাশিত এনবিসি নিউজের জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকান উত্তরদাতাদের ৫৩ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট।
পিউ রিসার্চ সেন্টার আরও জানিয়েছে, ২০২২ সালের তুলনায় ডেমোক্র্যাটদের কাছে গর্ভপাত ও বন্দুক নিয়ন্ত্রণ নীতি কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে রিপাবলিকান ভোটারদের কাছে শিক্ষা ও জ্বালানি নীতির গুরুত্ব চার বছর আগের তুলনায় কমেছে।
এনবিসির জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের ৫১ শতাংশ নিজেদের ব্যক্তিগত আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন। সন্তুষ্ট ৪৯ শতাংশ। এনবিসির ৩০ বছরের জরিপ-ইতিহাসে এই প্রথম ব্যক্তিগত আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট মানুষের হার সন্তুষ্ট মানুষের হারকে ছাড়িয়ে গেল।
১৯ ও ২০ অক্টোবর পরিচালিত এনপিআর/পিবিএস নিউজ/মারিস্টের এক জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের ৩৮ শতাংশ বলেছেন, গত এক বছরে তাদের আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে। ৪৪ শতাংশ বলেছেন, পরিস্থিতি প্রায় একই রয়েছে। আর ১৫ শতাংশের মতে, তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সম্ভাব্য ভোটারদের ৫১ শতাংশ বলেছেন, তাদের আর্থিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। রিপাবলিকানদের মধ্যে এ হার ২১ শতাংশ। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, ডেমোক্র্যাটদের ৭১ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৫৭ শতাংশ মনে করেন, তাদের আয় মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি।
নির্বাচনের আগের শেষ কয়েক সপ্তাহে পরিচালিত জরিপগুলোতে দেখা গেছে, ভোটারদের পছন্দ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অথবা কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণের পক্ষে। ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর পরিচালিত এবং ১ নভেম্বর প্রকাশিত এনবিসির এক জরিপে দেখা গেছে, নিবন্ধিত ভোটারদের ৫২ শতাংশ কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ চান। রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণের পক্ষে মত দিয়েছেন ৪৫ শতাংশ।
একইভাবে ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর পরিচালিত রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের ৫৩ শতাংশ বলেছেন, তারা নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দেবেন বা তাদের প্রতি ঝোঁক রয়েছে। রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থন করেছেন ৪৪ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, মধ্যবর্তী নির্বাচন মূলত মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার নির্বাচন। এতে ক্ষমতার পালাবদল কিংবা পরিবর্তন হবে না। মঙ্গলবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ আসনের প্রতিটিতে আর সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে এবার ভোট হচ্ছে ৩৫টিতে। এছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর পদেও নির্বাচন হবে।
বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভার সদস্য এবং বিভিন্ন স্থানীয় পদের জন্যও এদিন ভোট দেবেন মার্কিন নাগরিকরা। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের সবাই ভোটার নন। নির্বাচনে ভোট দিতে হলে নিবন্ধন করতে হয়। এবার নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ২১ কোটি ৩২ লাখ। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ভোটার ইতোমধ্যেই আগাম ভোট দিয়েছেন।
















