ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গভীর রাতে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৪৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রানের কেশম দ্বীপে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২ নভেম্বর) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। একই সময়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। খবর আল জাজিরার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, অল্প সময়ের ব্যবধানে কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা সংস্থাটিকে জানান, দ্বীপটির আকাশে দুটি উড়োজাহাজ উড়তে দেখেছেন তারা। কেশম দ্বীপটি ইরানের দক্ষিণ উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত।

দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, বন্দরনগরী বন্দর লেঙ্গেহ থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শব্দগুলো সমুদ্রের দিক থেকে আসছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা হামলাকে প্রতিরক্ষামূলক বলে বর্ণনা করেছেন। তাদের দাবি, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা সীমিত করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু হয়েছে, এমন বার্তা এড়াতে ওয়াশিংটন ইচ্ছাকৃতভাবে হামলার বিষয়টি প্রচারের বাইরে রেখেছিল।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসও (এপি) এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে।

ফক্স নিউজ ও অ্যাক্সিওসের সাংবাদিকদের দাবি, সোমবার হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন একটি উড়োজাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গুলির জবাবে এ হামলা চালানো হয়।

মার্কিন কর্মকর্তা উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজের সাংবাদিক জেনিফার গ্রিফিন বলেন, এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের বড় পরিসরের হামলা শুরুর ইঙ্গিত নয়।

তবে এ বিষয়ে ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে সোমবার আইআরজিসি দাবি করে, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কেশম দ্বীপের দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গোয়েন্দা ড্রোন আটক করেছে তারা। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির পূর্বদিকে একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করার দাবিও করেছে বাহিনীটি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গভীর রাতে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী

আপডেট সময় : ১০:২০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

রানের কেশম দ্বীপে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২ নভেম্বর) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। একই সময়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। খবর আল জাজিরার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, অল্প সময়ের ব্যবধানে কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা সংস্থাটিকে জানান, দ্বীপটির আকাশে দুটি উড়োজাহাজ উড়তে দেখেছেন তারা। কেশম দ্বীপটি ইরানের দক্ষিণ উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত।

দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, বন্দরনগরী বন্দর লেঙ্গেহ থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শব্দগুলো সমুদ্রের দিক থেকে আসছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা হামলাকে প্রতিরক্ষামূলক বলে বর্ণনা করেছেন। তাদের দাবি, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা সীমিত করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু হয়েছে, এমন বার্তা এড়াতে ওয়াশিংটন ইচ্ছাকৃতভাবে হামলার বিষয়টি প্রচারের বাইরে রেখেছিল।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসও (এপি) এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে।

ফক্স নিউজ ও অ্যাক্সিওসের সাংবাদিকদের দাবি, সোমবার হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন একটি উড়োজাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গুলির জবাবে এ হামলা চালানো হয়।

মার্কিন কর্মকর্তা উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজের সাংবাদিক জেনিফার গ্রিফিন বলেন, এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের বড় পরিসরের হামলা শুরুর ইঙ্গিত নয়।

তবে এ বিষয়ে ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে সোমবার আইআরজিসি দাবি করে, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কেশম দ্বীপের দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গোয়েন্দা ড্রোন আটক করেছে তারা। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির পূর্বদিকে একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করার দাবিও করেছে বাহিনীটি