ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

হামে আক্রান্ত দেশ, ক্রমাগত মরছে শিশু, দায় কার?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
  • হামে আক্রান্ত ১২৮২, ২৪ ঘন্টার মৃত্যু ৫
  • গত সাড়ে ৫  বছর হ্যামের কোন ক্যাম্পাইন হয়নি
  • দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে টিকা প্রদান

বিএনপি  সরকার দ্বায়িত্বে বসতে না বসতেই অনেকগুলো জাতীয় সঙ্কটের মুখে পড়েছে। যা কিনা নতুন সরকারকে অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে একদিকে জ্বালানী তেল নিয়ে চলছে তুঘলকি কান্ড অন্যদিকে দেশের স্বাস্থ্যখাতও নিয়ে ও রয়েছে রাজ্যের প্রশ্ন। বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতের সামনে সবচে বড় চ্যালেঞ্জ হাম মোকাবেলা করা। প্রতিনিয়ত শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যু কোলে ঢলে পড়ছে।

সরকারি তথ্য মতে  এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২৮২ শিশু। মারা গেছে ৫ জন।  যদিও  বলা হয়েছে হামে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের আর নিশ্চিত আক্রান্ত হয়েছে ১৮০ জন। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম সন্দেহে ৫ হাজার ৯৪০ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পরীক্ষায় ১ হাজার ৯৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১১৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি হাম আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩৬৫২ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬১১ জন। মৃত্যুর হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা।

হামের এই ব্যাপকতা রোধ করতে না পারার জন্য বর্তমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিগত সরকারকে দায়ী করছেন এই বলে যে, গত সাড়ে ৫ বছরে হামের কোন ক্যাম্পেইন না হওয়ায়। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে  রংপুর আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ আকতার হোসেনের জরুরি  গুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী এই তথ্য দেন।

দেশে বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ও টিকার সংকট নিয়ে জাতীয় সংসদে আগের সরকারগুলোর কড়া সমালোচনা করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সাড়ে পাঁচ বছর হাম-রুবেলার কোনো ক্যাম্পেইন না হওয়ায় এবং টিকার মজুতে অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে বর্তমানে শিশুরা প্রাণ ঝুঁকিতে পড়েছে। তবে বর্তমান সরকার জরুরি ভিত্তিতে রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে।

ক্যাম্পেইন না হওয়া ও টিকার সংকটের কারণ উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি চার বছর পরপর হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত সাড়ে পাঁচ বছর ধরে কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ফলে বিপুল সংখ্যক শিশু টিকাদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বর্তমানে তাদের মধ্যেই হামের প্রাদুর্ভাব বেশি। এছাড়া পূর্ববর্তী সরকারের অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়, যার ফলে হামসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ টিকার মজুতে মারাত্মক সংকট দেখা দেয়।

জরুরি টিকাদান কর্মসূচি ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ৫ এপ্রিল থেকে ১৮টি জেলা ও ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি টিকাদান শুরু হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে ১২ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম দিনেই ৩০টি উপজেলায় ৭৬ হাজার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৭৩ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে (সাফল্য ৯৬ শতাংশ)। এছাড়া আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এবং ৩ মে থেকে সারাদেশে অবশিষ্ট এলাকায় কর্মসূচি শুরু হবে।

হাসপাতালে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মন্ত্রী জানান, দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহীতে আরও ২৫০টি আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুতির পাশাপাশি আইসিডিডিআরবি,র মাধ্যমে মাত্র ৩০০ টাকা ব্যয়ে উদ্ভাবিত নতুন অক্সিজেন প্রবাহ সিস্টেম ব্যবহার করে ফুসফুসে অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন মাঠ পর্যায়ের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে বলেন, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও সাধারণ মানুষ হাসপাতালে আইসোলেশন বা আইসিইউ সুবিধা পাচ্ছে না। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতের বাজেটের প্রায় ২৫ শতাংশ অব্যয়িত থেকে যায়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও ১১ হাজার কোটি টাকা খরচ করা সম্ভব হয়নি।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনাকালীন সময়ের অব্যয়িত ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে ইউনিসেফ থেকে অতিরিক্ত হামের টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে টিকার কোনো শর্টেজ না হয়, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় সতর্ক রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের তদারকি বাড়াতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং উন্নয়ন সহযোগীদের (বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ) সাথে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হামে আক্রান্ত দেশ, ক্রমাগত মরছে শিশু, দায় কার?

আপডেট সময় : ০৯:২২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • হামে আক্রান্ত ১২৮২, ২৪ ঘন্টার মৃত্যু ৫
  • গত সাড়ে ৫  বছর হ্যামের কোন ক্যাম্পাইন হয়নি
  • দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে টিকা প্রদান

বিএনপি  সরকার দ্বায়িত্বে বসতে না বসতেই অনেকগুলো জাতীয় সঙ্কটের মুখে পড়েছে। যা কিনা নতুন সরকারকে অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে একদিকে জ্বালানী তেল নিয়ে চলছে তুঘলকি কান্ড অন্যদিকে দেশের স্বাস্থ্যখাতও নিয়ে ও রয়েছে রাজ্যের প্রশ্ন। বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতের সামনে সবচে বড় চ্যালেঞ্জ হাম মোকাবেলা করা। প্রতিনিয়ত শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যু কোলে ঢলে পড়ছে।

সরকারি তথ্য মতে  এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২৮২ শিশু। মারা গেছে ৫ জন।  যদিও  বলা হয়েছে হামে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের আর নিশ্চিত আক্রান্ত হয়েছে ১৮০ জন। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম সন্দেহে ৫ হাজার ৯৪০ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পরীক্ষায় ১ হাজার ৯৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১১৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি হাম আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩৬৫২ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬১১ জন। মৃত্যুর হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা।

হামের এই ব্যাপকতা রোধ করতে না পারার জন্য বর্তমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিগত সরকারকে দায়ী করছেন এই বলে যে, গত সাড়ে ৫ বছরে হামের কোন ক্যাম্পেইন না হওয়ায়। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে  রংপুর আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ আকতার হোসেনের জরুরি  গুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী এই তথ্য দেন।

দেশে বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ও টিকার সংকট নিয়ে জাতীয় সংসদে আগের সরকারগুলোর কড়া সমালোচনা করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সাড়ে পাঁচ বছর হাম-রুবেলার কোনো ক্যাম্পেইন না হওয়ায় এবং টিকার মজুতে অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে বর্তমানে শিশুরা প্রাণ ঝুঁকিতে পড়েছে। তবে বর্তমান সরকার জরুরি ভিত্তিতে রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে।

ক্যাম্পেইন না হওয়া ও টিকার সংকটের কারণ উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি চার বছর পরপর হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত সাড়ে পাঁচ বছর ধরে কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ফলে বিপুল সংখ্যক শিশু টিকাদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বর্তমানে তাদের মধ্যেই হামের প্রাদুর্ভাব বেশি। এছাড়া পূর্ববর্তী সরকারের অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়, যার ফলে হামসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ টিকার মজুতে মারাত্মক সংকট দেখা দেয়।

জরুরি টিকাদান কর্মসূচি ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ৫ এপ্রিল থেকে ১৮টি জেলা ও ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি টিকাদান শুরু হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে ১২ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম দিনেই ৩০টি উপজেলায় ৭৬ হাজার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৭৩ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে (সাফল্য ৯৬ শতাংশ)। এছাড়া আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এবং ৩ মে থেকে সারাদেশে অবশিষ্ট এলাকায় কর্মসূচি শুরু হবে।

হাসপাতালে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মন্ত্রী জানান, দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহীতে আরও ২৫০টি আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুতির পাশাপাশি আইসিডিডিআরবি,র মাধ্যমে মাত্র ৩০০ টাকা ব্যয়ে উদ্ভাবিত নতুন অক্সিজেন প্রবাহ সিস্টেম ব্যবহার করে ফুসফুসে অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন মাঠ পর্যায়ের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে বলেন, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও সাধারণ মানুষ হাসপাতালে আইসোলেশন বা আইসিইউ সুবিধা পাচ্ছে না। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতের বাজেটের প্রায় ২৫ শতাংশ অব্যয়িত থেকে যায়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও ১১ হাজার কোটি টাকা খরচ করা সম্ভব হয়নি।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনাকালীন সময়ের অব্যয়িত ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে ইউনিসেফ থেকে অতিরিক্ত হামের টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে টিকার কোনো শর্টেজ না হয়, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় সতর্ক রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের তদারকি বাড়াতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং উন্নয়ন সহযোগীদের (বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ) সাথে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।