রেল ও বাস স্টেশনগুলোতে ঘুরমুখো মানুষের ভীড়
- আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫
- / ৩৭২ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ছুটির দ্বিতীয় দিনে পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। ট্রেনে-বাসে কিংবা নৌপথে বাড়ি ফিরছেন তারা। মহাসড়কে বেড়েছে গাড়ির চাপ, শিডিউল বিপর্যয় ঘটছে চরমভাবে। টিকিট কেটেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাউন্টারে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দূর-দূরান্তের যাত্রীদের।

শুক্রবার (৬ জুন) সকাল থেকেই মিরপুর, কল্যাণপুর, মাজার রোড ও গাবতলী বাস টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়। শ্যামলী পরিবহন, এস আর পরিবহন, শাহ ফতেহ আলী পরিবহন, সুপার সনিসহ বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টারে যাত্রীদের গাড়ির জন্য বসে থাকতে দেখা গেছে। যদিও ট্রেনে যাত্রীদের বড় কোন অসুবিধ হচ্ছে না। সময় মতোই ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কমলাপুর রেলস্টেশনে গত দু-তিনদিনের তুলনায় যাত্রীদের উপস্থিতি কিছুটা কম। অনেকেই স্টেশনে প্রবেশের জন্য বাঁশের তৈরি ব্যারিকেড লাইন দাঁড়িয়ে আছেন। যাত্রীরা টিকিট প্রদর্শন না করে প্রথম ধাপ পার হতে পারছেন না। এরপর দ্বিতীয় ধাপে আবারও টিকিট যাচাই করা হচ্ছে। সবশেষ প্ল্যাটফর্মে প্রবেশে টিকিট প্রদর্শন করতে হচ্ছে যাত্রীদের। এছাড়া চুরি-ছিনতাইসহ যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর রয়েছে।
কমলাপুরে কথা হলে ট্রেন যাত্রী মাহমুদুল ইসলাম বলেন, অফিস ছুটি হয়েছে আরও দুইদিন আগে, কিন্তু টিকিট না পাওয়ায় যেতে পারিনি। পরে অনেক কষ্টে আজকের টিকিট ম্যানেজ করে অবশেষে বাড়িতে রওনা হচ্ছে।
আরিফুল ইসলাম নামে আরেক যাত্রী বলেন, অনেকদিন পরে বাড়িতে যাচ্ছি। পরিবারের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাবো, এটাই অনেক আনন্দের।
যাত্রী মেহেদী হাসান বলেন, আমি একটা গার্মেন্টস পণ্যের দোকানে চাকরি করি। ঈদের আগ মুহূর্তে বেচাকেনা ভালো হয়। তাই মালিক আগে থেকে ছুটি দেননি। তাই আজকে বাড়ি যাচ্ছি।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, যাত্রীদের ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। তিন স্তরের টিকিট চেকিং ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আমরা প্রস্তুত। ঈদযাত্রা এখন পর্যন্ত স্বস্তির। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ট্রেন শিডিউল বিপর্যয় নেই।





















