ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

এশিয়ার সেরা মঞ্চেও নজর কাড়লো বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাঠে নামার আগেই প্রতিপক্ষ এবং তিনবারের চ্যাম্পিয়ন চায়নার কাছে পরাজয় হওয়াটাই ছিলো নিশ্চিত। দুই দেশের ফুটবলের মানে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের চিত্রটাই বলে দিচ্ছে তা। কোথায় মাত্র ১৭ আর কোথায় ১১২। র‌্যাংকিংয়ের বিশাল এই ব্যবধানে বাংলাদেশের মেয়েরা না জানি কতোগোল হজম করে বসে! গত কয়েকদিন ধরে সোস্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সর্বত্রে ছিলো এই আলোচনা। মূলত এমন উচু মানের ফুটবল এবং খেলার মাঠে বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য প্রথম অভিজ্ঞতার। মাত্র দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল হয়ে উঠে আসা বাংলাদেশের মেয়েদের এএফসি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার সূচনা হয়।

মানসিকভাবেও নিজেদের পরাজয় ভেবেছিলেন ঋতুপর্নারা। কিন্তু হৃদয়ের গহীনে লুকিয়েছিলো লড়াই করার প্রস্তুতি, সেটা বুজিয়ে দিলেন আজ মঙ্গলবার এশিয়ান কাপ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচেই। চ্যাম্পিয়ন চাইনিজদের বিপক্ষে সাহসী ফুটবল খেলে মাঠের লড়াইয়ে নজর কেড়েছেন উপস্থিত দর্শকদের। যদিও নব্বই মিনিটের ফুটবল ম্যাচটিতে জিতে নি বাংলাদেশ। তাতে কি, মাঠের লড়াইয়ে লড়াইয়ে তটস্থ্য রেখেছেন প্রতিপক্ষ চাইনিজ ফুটবলারদের। ঋতুপর্ণাদের এমন লড়াইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশী দর্শকদের মন ভরে যায়। বাংলাদেশের মেয়েদের পরের ম্যাচ গুলো নিয়ে বেড়ে যায় প্রত্যাশা।

অভিজ্ঞতা এবং র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও মাঠে লড়ােইয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের অফুরন্ত সাহস ও পরিশ্রমে ঘাটতি ছিলো না। তাতে কখনোই মনে হয়নি এএফসি এশিয়ান কাপে তারা প্রথমবার খেলতে নেমেছেন। বেশ কয়েকটি আক্রমনও ছিলো গোল পাবার মতো। সেখানেই আক্ষেপটা থেকে যাচ্ছে ঋতুপর্ণার জন্য। চায়না ডিফেন্ডারকে দৌড়ে বিট করে তার নেয়া বাঁ পায়ে জোরালো শ্যূটটি ছিলো দর্শণীয়। কোন মতে চায়নিজ গোলকিপার তা প্রতিহত করে রক্ষা পায়। কিন্তু গোলটি হলে সেটা হতে পারতো টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল। তবে আক্রমন হিসেবেও সেটি অনেকদিন এএফসি ওয়েব সাইটে স্থান করে নেয়াটাই স্বাভাবিক। ঋতুপর্ণার নেয়া সেই শ্যূটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে শোনা যায় এএফসি অফিসিয়ান ধারাবিরনীতে।

বাংলাদেশের মেয়েদের লড়াইকে বলা হয়েছিলো মুগ্ধকর। এদিন ঋতুপর্ণার পাশাপাশি বাংলাদেশের গোলবারে আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন মিলি আকতার। বেশ কয়েকটি আক্রমন হালকা গড়নের এই মেয়েটি চায়নিজদের আক্রমন ঠেকিয়ে দেন।

বাংলাদেশ কোচ এদিন ডিফেন্সে বেশি খেলোয়াড় রেখেই আক্রমন সাজিয়েছেন। শারিরিক ভাবেও চাইনিজ মেয়েরা ছিলো বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে।  তবে মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশ দলের ফিটনেস ছিল প্রশংসনীয় পর্যায়ে। বল দখলের লড়াই কিংবা তাড়ায় খুব বেশি পেছনে ছিলেন না ঋতুপর্ণারা।

যার ফলে চাইনিজদের প্রথম গোলটি পেতে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিলো। বাংলাদেশের মেয়েরা মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানেই গোল দুটি হজম করে।

অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে আর কোন গোল হজম করতে হয়নি। এই সময়টায় বাংলাদেশের মেয়েরা বল পজেশনে আগের চেয়ে উন্নতি করে। এই অর্ধে খানিকটা রক্ষণের খোলস ভেঙে আক্রমণেরও চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক মিলি আক্তার জাতীয় দলে নিয়মিত একাদশে খেলেন না। এশিয়ান কাপের মঞ্চে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে প্রথম দিকে নার্ভাস ছিলেন। সময়ের সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেন। বেশ কয়েকটি ভালো সেভ করেন।

বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধের বিশ মিনিটে একক দক্ষতায় লাফিয়ে বা হাত উচিয়ে নিশ্চিত গোল বাঁচান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বাংলাদেশ তিন পরিবর্তন করে। উমহেলা, শিউলি ও নবীরনের পরিবর্তে তহুরা, হালিমা ও স্বপ্না নামেন। ৮৫ মিনিটের সময় বাংলাদেশের পক্ষে অভিষেক হয় সুইডিশ প্রবাসী আনিকা রহমানের। চীন দ্বিতীয়ার্ধে তিন জন খেলোয়াড় পরিবর্তন করলেও গোল ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি।

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান নারী এশিয়া কাপে ভিএআর রয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের একটি আক্রমণ পেনাল্টি কি না সেটা ভিএআরে চেক হয়েছিল। মিনিট খানেক দেখার পর অবশ্য সেটা পেনাল্টি দেননি রেফারি। ভিএআর বিশ্ব ফুটবলে কয়েক বছর আগে ব্যবহৃত হলেও বাংলাদেশ কোনো ম্যাচে এ রকম প্রযুক্তির সহায়তা পায়নি। আজ অভিষেক ম্যাচে চীনের একটি গোল বাতিল হয়েছে ভিএআরের জন্য।

৯০ মিনিটের লড়াই শেষে চীন ২-০ গোলে জয়লাভ করেছে। তবে ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্ত ছিল বাংলাদেশেরই। ১৪তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ঋতুপর্ণা চাকমার জন্য বল ঠেলা হয়। চাইনিজ ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে ঋতুপর্ণা চাকমা বলের দখল নেন। দ্রুততার সঙ্গে চীনের বক্সের দিকে এগোতে থাকেন। চীনের গোলরক্ষক খানিকটা এগিয়ে ছিলেন। ৩০ গজ দূর থেকে ঋতুপর্ণার বা পায়ের শট প্রায় গোল হয়েই যাচ্ছিল। চীনের গোলরক্ষক চেন চেন পেছনের দিকে শূন্যে লাফিয়ে বল জালে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন। এটি গোল হলে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের স্বীকৃতিও পেতে পারত।

চীন বাংলাদেশের জালে ২২ মিনিটে বল পাঠায়। পরবর্তীতে ভিএআরে সেই গোল বাতিল হয়। এতে চীনের গোলের অপেক্ষা আরও বাড়ে। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে চীনের ওয়াং শুয়াং দূর পাল্লার শটে গোল করেন। এক মিনিট পরই চীন আরেকটি গোল পায়। এই গোলে অবশ্য বাংলাদেশের ডিফেন্ডারদের দায় রয়েছে। কয়েক দফা ঠিক মতো ক্লিয়ার করতে পারেননি। পরবর্তীতে ঝাং রুইয়ের শট বাংলাদেশের দুই ডিফেন্ডার কোহাতি ও অধিনায়ক আফিদার পায়ে লেগে বল জালে জড়ায়। আগামী ৬ মার্চ বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এশিয়ার সেরা মঞ্চেও নজর কাড়লো বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা

আপডেট সময় : ০৮:০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মাঠে নামার আগেই প্রতিপক্ষ এবং তিনবারের চ্যাম্পিয়ন চায়নার কাছে পরাজয় হওয়াটাই ছিলো নিশ্চিত। দুই দেশের ফুটবলের মানে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের চিত্রটাই বলে দিচ্ছে তা। কোথায় মাত্র ১৭ আর কোথায় ১১২। র‌্যাংকিংয়ের বিশাল এই ব্যবধানে বাংলাদেশের মেয়েরা না জানি কতোগোল হজম করে বসে! গত কয়েকদিন ধরে সোস্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সর্বত্রে ছিলো এই আলোচনা। মূলত এমন উচু মানের ফুটবল এবং খেলার মাঠে বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য প্রথম অভিজ্ঞতার। মাত্র দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল হয়ে উঠে আসা বাংলাদেশের মেয়েদের এএফসি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার সূচনা হয়।

মানসিকভাবেও নিজেদের পরাজয় ভেবেছিলেন ঋতুপর্নারা। কিন্তু হৃদয়ের গহীনে লুকিয়েছিলো লড়াই করার প্রস্তুতি, সেটা বুজিয়ে দিলেন আজ মঙ্গলবার এশিয়ান কাপ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচেই। চ্যাম্পিয়ন চাইনিজদের বিপক্ষে সাহসী ফুটবল খেলে মাঠের লড়াইয়ে নজর কেড়েছেন উপস্থিত দর্শকদের। যদিও নব্বই মিনিটের ফুটবল ম্যাচটিতে জিতে নি বাংলাদেশ। তাতে কি, মাঠের লড়াইয়ে লড়াইয়ে তটস্থ্য রেখেছেন প্রতিপক্ষ চাইনিজ ফুটবলারদের। ঋতুপর্ণাদের এমন লড়াইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশী দর্শকদের মন ভরে যায়। বাংলাদেশের মেয়েদের পরের ম্যাচ গুলো নিয়ে বেড়ে যায় প্রত্যাশা।

অভিজ্ঞতা এবং র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও মাঠে লড়ােইয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের অফুরন্ত সাহস ও পরিশ্রমে ঘাটতি ছিলো না। তাতে কখনোই মনে হয়নি এএফসি এশিয়ান কাপে তারা প্রথমবার খেলতে নেমেছেন। বেশ কয়েকটি আক্রমনও ছিলো গোল পাবার মতো। সেখানেই আক্ষেপটা থেকে যাচ্ছে ঋতুপর্ণার জন্য। চায়না ডিফেন্ডারকে দৌড়ে বিট করে তার নেয়া বাঁ পায়ে জোরালো শ্যূটটি ছিলো দর্শণীয়। কোন মতে চায়নিজ গোলকিপার তা প্রতিহত করে রক্ষা পায়। কিন্তু গোলটি হলে সেটা হতে পারতো টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল। তবে আক্রমন হিসেবেও সেটি অনেকদিন এএফসি ওয়েব সাইটে স্থান করে নেয়াটাই স্বাভাবিক। ঋতুপর্ণার নেয়া সেই শ্যূটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে শোনা যায় এএফসি অফিসিয়ান ধারাবিরনীতে।

বাংলাদেশের মেয়েদের লড়াইকে বলা হয়েছিলো মুগ্ধকর। এদিন ঋতুপর্ণার পাশাপাশি বাংলাদেশের গোলবারে আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন মিলি আকতার। বেশ কয়েকটি আক্রমন হালকা গড়নের এই মেয়েটি চায়নিজদের আক্রমন ঠেকিয়ে দেন।

বাংলাদেশ কোচ এদিন ডিফেন্সে বেশি খেলোয়াড় রেখেই আক্রমন সাজিয়েছেন। শারিরিক ভাবেও চাইনিজ মেয়েরা ছিলো বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে।  তবে মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশ দলের ফিটনেস ছিল প্রশংসনীয় পর্যায়ে। বল দখলের লড়াই কিংবা তাড়ায় খুব বেশি পেছনে ছিলেন না ঋতুপর্ণারা।

যার ফলে চাইনিজদের প্রথম গোলটি পেতে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিলো। বাংলাদেশের মেয়েরা মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানেই গোল দুটি হজম করে।

অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে আর কোন গোল হজম করতে হয়নি। এই সময়টায় বাংলাদেশের মেয়েরা বল পজেশনে আগের চেয়ে উন্নতি করে। এই অর্ধে খানিকটা রক্ষণের খোলস ভেঙে আক্রমণেরও চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক মিলি আক্তার জাতীয় দলে নিয়মিত একাদশে খেলেন না। এশিয়ান কাপের মঞ্চে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে প্রথম দিকে নার্ভাস ছিলেন। সময়ের সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেন। বেশ কয়েকটি ভালো সেভ করেন।

বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধের বিশ মিনিটে একক দক্ষতায় লাফিয়ে বা হাত উচিয়ে নিশ্চিত গোল বাঁচান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বাংলাদেশ তিন পরিবর্তন করে। উমহেলা, শিউলি ও নবীরনের পরিবর্তে তহুরা, হালিমা ও স্বপ্না নামেন। ৮৫ মিনিটের সময় বাংলাদেশের পক্ষে অভিষেক হয় সুইডিশ প্রবাসী আনিকা রহমানের। চীন দ্বিতীয়ার্ধে তিন জন খেলোয়াড় পরিবর্তন করলেও গোল ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি।

অস্ট্রেলিয়ায় চলমান নারী এশিয়া কাপে ভিএআর রয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের একটি আক্রমণ পেনাল্টি কি না সেটা ভিএআরে চেক হয়েছিল। মিনিট খানেক দেখার পর অবশ্য সেটা পেনাল্টি দেননি রেফারি। ভিএআর বিশ্ব ফুটবলে কয়েক বছর আগে ব্যবহৃত হলেও বাংলাদেশ কোনো ম্যাচে এ রকম প্রযুক্তির সহায়তা পায়নি। আজ অভিষেক ম্যাচে চীনের একটি গোল বাতিল হয়েছে ভিএআরের জন্য।

৯০ মিনিটের লড়াই শেষে চীন ২-০ গোলে জয়লাভ করেছে। তবে ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্ত ছিল বাংলাদেশেরই। ১৪তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ঋতুপর্ণা চাকমার জন্য বল ঠেলা হয়। চাইনিজ ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে ঋতুপর্ণা চাকমা বলের দখল নেন। দ্রুততার সঙ্গে চীনের বক্সের দিকে এগোতে থাকেন। চীনের গোলরক্ষক খানিকটা এগিয়ে ছিলেন। ৩০ গজ দূর থেকে ঋতুপর্ণার বা পায়ের শট প্রায় গোল হয়েই যাচ্ছিল। চীনের গোলরক্ষক চেন চেন পেছনের দিকে শূন্যে লাফিয়ে বল জালে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন। এটি গোল হলে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের স্বীকৃতিও পেতে পারত।

চীন বাংলাদেশের জালে ২২ মিনিটে বল পাঠায়। পরবর্তীতে ভিএআরে সেই গোল বাতিল হয়। এতে চীনের গোলের অপেক্ষা আরও বাড়ে। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে চীনের ওয়াং শুয়াং দূর পাল্লার শটে গোল করেন। এক মিনিট পরই চীন আরেকটি গোল পায়। এই গোলে অবশ্য বাংলাদেশের ডিফেন্ডারদের দায় রয়েছে। কয়েক দফা ঠিক মতো ক্লিয়ার করতে পারেননি। পরবর্তীতে ঝাং রুইয়ের শট বাংলাদেশের দুই ডিফেন্ডার কোহাতি ও অধিনায়ক আফিদার পায়ে লেগে বল জালে জড়ায়। আগামী ৬ মার্চ বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে।