পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে বিজিবিকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৬:২৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
- / ৪৩ বার পড়া হয়েছে
পশ্চিমবঙ্গে বিধান সভার নির্বাচনের পর দেশটিতে শুরু হয়ে গেছে মুসলিমদের উপর অত্যচার। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের বাড়ি-ঘরে,ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে আসছে। সোসাল মিডিয়াতে দেখা গেছে বিজয়ী নেতা সুমেন্দ বাবুর সমর্থকরা এই হামলা চালাচ্ছেন। মুসলিমদের ভাবা হচ্ছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সমর্থক। এমন বক্তব্য সুবেন্দ বাবুর মুখ থেকে বেরিয়ে আসতেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় মুসলামানদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয়া হয়। এতে করে পুসব্যাকের আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর তা এড়াতেই বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে বিজিবিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (৬ মে) জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ডিসিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর সেই দেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর আঁচ বাংলাদেশেও পড়তে পারে। বাংলাদেশে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলেও এরইমধ্যে সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক নজরদারির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেসব রাজনৈতিক মামলা দায়ের হয়েছে, সেগুলোও স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
অস্ত্র লাইসেন্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির পর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনায় অনেক অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। সেগুলো ফেরত না দিয়ে যাচাই-বাছাইয়ে জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা নেয়া হয়েছিল। সেগুলো এখনও ফেরত দেয়া হয়নি। সেগুলো দ্রুত ফেরত দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে সরকারের নির্দেশনার পরও ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি। সেগুলোও উদ্ধারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব লাইসেন্সধারীর বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য বলা হয়েছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদের সাত দিন আগে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি মনিটরিং সেল চালু করা হবে, যাতে নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা যায়। যেসব জেলায় ফেরিঘাট রয়েছে, সেখানে ফেরিতে ওঠার আগে যাত্রীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।














