ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ বিরতি চুক্তি থেমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র কতৃক ইরানের পরমানু অস্ত্র তৈরি না করার শর্ত মেনে নেয়া হয়নি। ইরান তার অবস্থানেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাই ফের হুমকি-ধামকি আসছে। কিন্তু সেদিকে কোনই কর্ণপাত না করে ইরাণ দেশ রক্ষায় প্রতিরোধের জন্য তাদের সমরাস্র সাজিয়ে রেখেছে। এদিকে ইরান পরামানু অস্ত্র বন্ধ রাখার শর্ত না মানায় মধ্যপ্রাচ্যে ফের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেস্তে যায় যুদ্ধ বিরতি চুক্তি।

দুটি দেশই তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায়  মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মধ্যেই আরও সেনা পাঠাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনীর ‘আরও কয়েক হাজার’ সদস্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, সেনা পাঠানোর বিষয়ে জানেন এমন মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি এই খবর প্রকাশ করেছে।
এদিকে ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো প্রচেষ্টা ‌‘ব্যর্থ হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের জনগণ এ ধরনের পদক্ষেপ কখনো মেনে নেবে না।

বুধবার তেহরানে জরুরি পরিষেবা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেছেন, তেহরান ‘যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতা নয়’, বরং সব সময়ই ‘গঠনমূলক আলোচনা’র পক্ষে।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধ বিরতির একটি চুক্তি হয়েছিলো। সেখানে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ বিরতির ঘোষনা করা হয়। সেই চুক্তিতে ট্রাম্পের দাবি ছিলো  তেহরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে সম্মত হলে তিনি দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা করা বন্ধ রাখবেন। হরমুজ প্রণালি হলো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল এবং অন্যান্য পণ্য রপ্তানির একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট।

 এ যুদ্ধবিরতি চলাকালে হারমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারবে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করার এক মাসের বেশি সময় পর এ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে রাতের মধ্যে পুরো ইরানি সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ বিরতি চুক্তি থেমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র কতৃক ইরানের পরমানু অস্ত্র তৈরি না করার শর্ত মেনে নেয়া হয়নি। ইরান তার অবস্থানেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাই ফের হুমকি-ধামকি আসছে। কিন্তু সেদিকে কোনই কর্ণপাত না করে ইরাণ দেশ রক্ষায় প্রতিরোধের জন্য তাদের সমরাস্র সাজিয়ে রেখেছে। এদিকে ইরান পরামানু অস্ত্র বন্ধ রাখার শর্ত না মানায় মধ্যপ্রাচ্যে ফের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেস্তে যায় যুদ্ধ বিরতি চুক্তি।

দুটি দেশই তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায়  মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মধ্যেই আরও সেনা পাঠাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনীর ‘আরও কয়েক হাজার’ সদস্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, সেনা পাঠানোর বিষয়ে জানেন এমন মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি এই খবর প্রকাশ করেছে।
এদিকে ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো প্রচেষ্টা ‌‘ব্যর্থ হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের জনগণ এ ধরনের পদক্ষেপ কখনো মেনে নেবে না।

বুধবার তেহরানে জরুরি পরিষেবা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেছেন, তেহরান ‘যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতা নয়’, বরং সব সময়ই ‘গঠনমূলক আলোচনা’র পক্ষে।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধ বিরতির একটি চুক্তি হয়েছিলো। সেখানে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ বিরতির ঘোষনা করা হয়। সেই চুক্তিতে ট্রাম্পের দাবি ছিলো  তেহরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে সম্মত হলে তিনি দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা করা বন্ধ রাখবেন। হরমুজ প্রণালি হলো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল এবং অন্যান্য পণ্য রপ্তানির একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট।

 এ যুদ্ধবিরতি চলাকালে হারমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারবে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করার এক মাসের বেশি সময় পর এ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে রাতের মধ্যে পুরো ইরানি সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়া হবে।