ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে থাকছে কঠোর নিরাপত্তা, দুই পর্বে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী মোতায়েন থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট। এতে দেশজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড রোধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বুধবার ৭ জানুয়ারী এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। সেখানে  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার থাকবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সমন্বয় থাকবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে।

দুই পর্বের মোতায়েনের মধ্যে প্রথম পর্বে বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন করা হবে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট সাত দিন।

পরিপত্র অনুযায়ী, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় দায়িত্বে থাকবে কোস্টগার্ড।

সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিম পুনর্বিন্যাস করা যাবে।

এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ও মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই সেলে পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র‍্যাবের একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।

নির্বাচনকালীন সার্বক্ষণিক সেবা দিতে জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ বিশেষ টিম গঠন করে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে যুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। এই টিমে পাওয়া অভিযোগ বা তথ্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সমন্বয় সেলে পাঠানো হবে।

নিরাপত্তা সংবেদনশীলতা বিবেচনায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় সেলের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি যৌথ বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান এবং চেকপোস্ট পরিচালনা করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে থাকছে কঠোর নিরাপত্তা, দুই পর্বে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী মোতায়েন থাকবে

আপডেট সময় : ০৮:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট। এতে দেশজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড রোধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বুধবার ৭ জানুয়ারী এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। সেখানে  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার থাকবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সমন্বয় থাকবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে।

দুই পর্বের মোতায়েনের মধ্যে প্রথম পর্বে বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন করা হবে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট সাত দিন।

পরিপত্র অনুযায়ী, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় দায়িত্বে থাকবে কোস্টগার্ড।

সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিম পুনর্বিন্যাস করা যাবে।

এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ও মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই সেলে পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র‍্যাবের একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।

নির্বাচনকালীন সার্বক্ষণিক সেবা দিতে জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ বিশেষ টিম গঠন করে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে যুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। এই টিমে পাওয়া অভিযোগ বা তথ্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সমন্বয় সেলে পাঠানো হবে।

নিরাপত্তা সংবেদনশীলতা বিবেচনায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় সেলের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি যৌথ বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান এবং চেকপোস্ট পরিচালনা করবে।