ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

তামিম ইন বুলবুল আউট, তিনমাসেই বিসিবি’র নির্বাচন, এডহক কমিটিও নির্বাচনে অংশনিতে পারবে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে গঠন করা হয়েছে এডহক কমিটি। যদিও বিষয়টি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সদ্য সাবেক বোর্ড প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া তিনি জানালেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বিসিবি বোর্ড ভাঙা অবৈধ,তদন্ত প্রতিবেদনও ছিলো ত্রুটিপূর্ণ,‘খামখেয়ালি’ এবং ‘আইনি ভিত্তিহীন’। এই ঘটনার জন্য তিনি আইসিসি’র হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

যদিও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠনতন্ত্র বলছে ভিন্ন কথা। এনএসসির ২০১৮ সালের গঠনতন্ত্রের ২১ ধারায় পরিষ্কার বলা আছে, ‘কোনো ফেডারেশনের কার্যক্রম যদি নিয়ম অনুযায়ী সন্তোষজনক না হয় এবং সংশ্লিষ্ট খেলাটির মঙ্গলের পরিবর্তে অমঙ্গলের আশঙ্কা তৈরি হয়, তাহলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সেই কমিটি ভেঙে দিয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে পারে।’ এর আগেও ক্রীড়াঙ্গনের অভিবাবক সংস্থাটি একাধিকবার বিসিবি বোর্ড ভেঙেদিয়েছিল।

এবারও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের অভিযোগ দেখতে পাওয়ায় সংগঠকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভেঙ্গে দেয়া হয় নির্বাচিত কমিটি।  নতুন সরকার আসার পর বিসিবি নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ঢাকার ৫০টি ক্লাবের কর্মকর্তারা। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তাদের তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে এনএসসি। বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাচিত কমিটি আউট, তামিম হলেন নতুন বোর্ড প্রধান। তার নেতৃত্বে গঠন করা হয় এগার সদস্যের কমিটি।

এরা হলেন-তামিম ইকবাল, রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আতাহার আলী খান, তানজীম চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানী, রফিকুল ইসলাম বাবু ও ফাহিম সিনহা।

আজ বিকেলে এনএসসিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান জানিয়েছেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিসিবির গত নির্বাচনটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ ছিল না। ফারুক আহমেদ মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বেআইনি সুবিধা পেয়েছেন।’

এ সময় এনএসসির গঠনতন্ত্রের ২১ নম্বর ধারা উল্লেখ করে আমিনুল এহসান বলেন, ‘২০১৮ সালের ২১ ধারা অনুযায়ী কোনো ফেডারেশন যথাযথ দায়িত্ব পালন না করলে এনএসসি বোর্ড ভেঙে দিত পারে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচলনা করে দেখা গেছে, বিসিবির গত নির্বাচনে অনিয়ম ছিল। আইসিসিকে এর মধ্যে মেইলে বিসিবির বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে৷ এছাড়া ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করার কথাও বলা হয়েছে। এই কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করবে।’

এনএসসির এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আহ্বায়ক কমিটির তালিকা আইসিসিতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে এখন থেকেই এই কমিটিকেই বাস্তবায়িত বা চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তামিম ইকবালের এডহক কমিটিতে আছেন বিএনপি নেতাদের স্ত্রী বা পুত্র। ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বিএনপির সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজের স্ত্রী। মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাঈদ ইব্রাহিম আহমদ ও ইসরাফিল খসরু যথাক্রমে বিএনপির উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদের ছেলে।

এদের নিয়েই আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের কথা জানালেন তামিম ইকবাল। বোর্ড সভাপতির চেয়ারে বসেই
সন্ধ্যায় মিডিয়া কর্মীদের তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমাদেরকে একটি দায়িত্ব দিয়ে আনা হয়েছে। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা, তিন মাসের মধ্যে। যখন একটা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন হবে খালি আমরা না যারা যারা আগ্রহী আমি সবাইকে অনুরোধ করব সবাই অংশগ্রহণ করেন।’

তবে এডহক কমিটিতে থেকেও নির্বাচন করা যাবে বলে জানালেন তামিম। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা (অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা) নির্বাচন করব। আমরা ওই অবস্থান ও পরিবেশ তৈরি করব যাতে সবাই এসে নির্বাচন করতে পারে। আমাদের ভুল হবে, আমাদের দলে যারা আছেন তাদেরও ভুল হবে। ওই ভুল থেকে আমরা শিখব, আবার আমরা চেষ্টা করব। এটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

এদিকে আমিনুল ইসলাম বুলবুল নিরবে বিসিবি ত্যাগ করলেও তিনি বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছেন, এনএসসির করা এই তদন্ত একটি ‘দুরভিসন্ধিমূলক উদ্যোগ’ এবং ৫ এপ্রিল ২০২৬ জমা দেওয়া প্রতিবেদন আইনের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। তিনি আরও বলেন, ওই নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া বিসিবির সংবিধান মেনেই পরিচালিত হয়েছিল এবং নির্বাচন ছিল স্বচ্ছ।

তার মতে, নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে যে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, তা সংবিধানবিরোধী এবং আইসিসির নিয়মেরও লঙ্ঘন। তিনি বলেন, এনএসসির এমন কোনো ক্ষমতা নেই, যাতে একটি নির্বাচিত বোর্ডকে ভেঙে দেওয়া যায়- শুধু বিশেষ কিছু চরম পরিস্থিতি ছাড়া, যা এখানে ঘটেনি। তার দাবি, এই অ্যাডহক কমিটি একটি ভুয়া ‘সত্তা’ এবং তাদের কর্তৃত্ব বিসিবির পক্ষ থেকে স্বীকৃত নয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তামিম ইন বুলবুল আউট, তিনমাসেই বিসিবি’র নির্বাচন, এডহক কমিটিও নির্বাচনে অংশনিতে পারবে

আপডেট সময় : ০২:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে গঠন করা হয়েছে এডহক কমিটি। যদিও বিষয়টি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সদ্য সাবেক বোর্ড প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া তিনি জানালেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বিসিবি বোর্ড ভাঙা অবৈধ,তদন্ত প্রতিবেদনও ছিলো ত্রুটিপূর্ণ,‘খামখেয়ালি’ এবং ‘আইনি ভিত্তিহীন’। এই ঘটনার জন্য তিনি আইসিসি’র হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

যদিও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠনতন্ত্র বলছে ভিন্ন কথা। এনএসসির ২০১৮ সালের গঠনতন্ত্রের ২১ ধারায় পরিষ্কার বলা আছে, ‘কোনো ফেডারেশনের কার্যক্রম যদি নিয়ম অনুযায়ী সন্তোষজনক না হয় এবং সংশ্লিষ্ট খেলাটির মঙ্গলের পরিবর্তে অমঙ্গলের আশঙ্কা তৈরি হয়, তাহলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সেই কমিটি ভেঙে দিয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে পারে।’ এর আগেও ক্রীড়াঙ্গনের অভিবাবক সংস্থাটি একাধিকবার বিসিবি বোর্ড ভেঙেদিয়েছিল।

এবারও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের অভিযোগ দেখতে পাওয়ায় সংগঠকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভেঙ্গে দেয়া হয় নির্বাচিত কমিটি।  নতুন সরকার আসার পর বিসিবি নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ঢাকার ৫০টি ক্লাবের কর্মকর্তারা। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তাদের তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে এনএসসি। বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাচিত কমিটি আউট, তামিম হলেন নতুন বোর্ড প্রধান। তার নেতৃত্বে গঠন করা হয় এগার সদস্যের কমিটি।

এরা হলেন-তামিম ইকবাল, রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আতাহার আলী খান, তানজীম চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানী, রফিকুল ইসলাম বাবু ও ফাহিম সিনহা।

আজ বিকেলে এনএসসিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান জানিয়েছেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিসিবির গত নির্বাচনটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ ছিল না। ফারুক আহমেদ মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বেআইনি সুবিধা পেয়েছেন।’

এ সময় এনএসসির গঠনতন্ত্রের ২১ নম্বর ধারা উল্লেখ করে আমিনুল এহসান বলেন, ‘২০১৮ সালের ২১ ধারা অনুযায়ী কোনো ফেডারেশন যথাযথ দায়িত্ব পালন না করলে এনএসসি বোর্ড ভেঙে দিত পারে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচলনা করে দেখা গেছে, বিসিবির গত নির্বাচনে অনিয়ম ছিল। আইসিসিকে এর মধ্যে মেইলে বিসিবির বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে৷ এছাড়া ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করার কথাও বলা হয়েছে। এই কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করবে।’

এনএসসির এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আহ্বায়ক কমিটির তালিকা আইসিসিতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে এখন থেকেই এই কমিটিকেই বাস্তবায়িত বা চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তামিম ইকবালের এডহক কমিটিতে আছেন বিএনপি নেতাদের স্ত্রী বা পুত্র। ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বিএনপির সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজের স্ত্রী। মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাঈদ ইব্রাহিম আহমদ ও ইসরাফিল খসরু যথাক্রমে বিএনপির উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদের ছেলে।

এদের নিয়েই আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের কথা জানালেন তামিম ইকবাল। বোর্ড সভাপতির চেয়ারে বসেই
সন্ধ্যায় মিডিয়া কর্মীদের তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমাদেরকে একটি দায়িত্ব দিয়ে আনা হয়েছে। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা, তিন মাসের মধ্যে। যখন একটা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন হবে খালি আমরা না যারা যারা আগ্রহী আমি সবাইকে অনুরোধ করব সবাই অংশগ্রহণ করেন।’

তবে এডহক কমিটিতে থেকেও নির্বাচন করা যাবে বলে জানালেন তামিম। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা (অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা) নির্বাচন করব। আমরা ওই অবস্থান ও পরিবেশ তৈরি করব যাতে সবাই এসে নির্বাচন করতে পারে। আমাদের ভুল হবে, আমাদের দলে যারা আছেন তাদেরও ভুল হবে। ওই ভুল থেকে আমরা শিখব, আবার আমরা চেষ্টা করব। এটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

এদিকে আমিনুল ইসলাম বুলবুল নিরবে বিসিবি ত্যাগ করলেও তিনি বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছেন, এনএসসির করা এই তদন্ত একটি ‘দুরভিসন্ধিমূলক উদ্যোগ’ এবং ৫ এপ্রিল ২০২৬ জমা দেওয়া প্রতিবেদন আইনের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। তিনি আরও বলেন, ওই নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া বিসিবির সংবিধান মেনেই পরিচালিত হয়েছিল এবং নির্বাচন ছিল স্বচ্ছ।

তার মতে, নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে যে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, তা সংবিধানবিরোধী এবং আইসিসির নিয়মেরও লঙ্ঘন। তিনি বলেন, এনএসসির এমন কোনো ক্ষমতা নেই, যাতে একটি নির্বাচিত বোর্ডকে ভেঙে দেওয়া যায়- শুধু বিশেষ কিছু চরম পরিস্থিতি ছাড়া, যা এখানে ঘটেনি। তার দাবি, এই অ্যাডহক কমিটি একটি ভুয়া ‘সত্তা’ এবং তাদের কর্তৃত্ব বিসিবির পক্ষ থেকে স্বীকৃত নয়।