ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সিলেট স্টেডিয়ামের জরানজীর্ণ অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে দেশ জুড়ে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন ক্রীড়া কর্মসূচি। যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে। দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর উদ্বোধন করবেন। তার আগে মাঠের প্রস্তুতি দেখতে আজ বুধবার সিলেট স্টেডিয়ামে পৌছান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সেখানে পৌছে সোজা সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান দেশের এই ক্রীড়া অধিনায়ক। কিন্তু সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে স্টেডিয়ামের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেছেন, গত ১৬ বছর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়নের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। আমিনুল হক  বলেন, পূর্ববর্তী সময়ে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতায় থেকে উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি করা হয়েছে। এর ফলেই স্টেডিয়ামের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আগামী ৩০ এপ্রিল সিলেট জেলা স্টেডিয়ামসহ দেশের প্রতিটি জেলায় একযোগে ‘নতুন ক্রীড়া কর্মসূচি’ উদ্বোধনের ঘোষণা দেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রায় ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে এবং ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

খেলোয়াড়দের কল্যাণে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই লক্ষ্য নিয়ে ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১২৯ জনকে এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও ৫০০ জন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় এই ভাতার আওতায় আসবেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেটসহ মোট সাতটি ইভেন্ট নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে। এতে দেশের বিভিন্ন উপজেলার দল এবং ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীরা অংশ নেবে।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী খুদে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এছাড়া দুপুর ১টায় তিনি সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামও পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী, বিসিবি পরিচালক রাহাত শামস, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ, ক্রীড়াবিদ রেজাউল করিম নাচনসহ বিভিন্ন স্পোর্টস সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সিলেট স্টেডিয়ামের জরানজীর্ণ অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে দেশ জুড়ে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন ক্রীড়া কর্মসূচি। যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে। দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর উদ্বোধন করবেন। তার আগে মাঠের প্রস্তুতি দেখতে আজ বুধবার সিলেট স্টেডিয়ামে পৌছান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সেখানে পৌছে সোজা সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান দেশের এই ক্রীড়া অধিনায়ক। কিন্তু সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে স্টেডিয়ামের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেছেন, গত ১৬ বছর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়নের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। আমিনুল হক  বলেন, পূর্ববর্তী সময়ে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতায় থেকে উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি করা হয়েছে। এর ফলেই স্টেডিয়ামের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আগামী ৩০ এপ্রিল সিলেট জেলা স্টেডিয়ামসহ দেশের প্রতিটি জেলায় একযোগে ‘নতুন ক্রীড়া কর্মসূচি’ উদ্বোধনের ঘোষণা দেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে আরও প্রায় ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে এবং ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

খেলোয়াড়দের কল্যাণে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই লক্ষ্য নিয়ে ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১২৯ জনকে এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও ৫০০ জন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় এই ভাতার আওতায় আসবেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেটসহ মোট সাতটি ইভেন্ট নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে। এতে দেশের বিভিন্ন উপজেলার দল এবং ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীরা অংশ নেবে।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী খুদে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এছাড়া দুপুর ১টায় তিনি সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামও পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী, বিসিবি পরিচালক রাহাত শামস, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ, ক্রীড়াবিদ রেজাউল করিম নাচনসহ বিভিন্ন স্পোর্টস সংগঠনের প্রতিনিধিরা।