ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাফ অনুর্ধ্ব ২০ শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর এক ম্যাচ দূরে বাংলাদেশ। আজ মালদ্বীপের মালে স্টডিয়ামে অনুষ্টিত সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ১-০ গোলে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে ফাইনালে ওঠেছে। পরের সেমিফাইনাল ভারত ও ভুটানের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই দলের বিজয়ী দলের সঙ্গে ট্রফি বিজয়ের জন্য লড়বে বাংলাদেশ। আজ বুধবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের হয়ে দশ মিনিটের সময় জয়সূচক গোলটি করেন মানিক।

২০২৪ সালে বাংলাদেশ সাফের এই টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবারও বাংলাদেশ নিজেদের শিরোপা ধরে রাখার মিশন নিয়েই দেশ ছেড়েছিল। নেপালকে হারিয়ে আবার শিরোপা লড়াইয়ে রয়েছে লাল-সবুজের দলটি। বাংলাদেশের ফাইনালের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে আজ রাতে ভারত ও ভুটানের ম্যাচের পর।

সেমিফাইনালে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। প্রথম থেকেই অনেক আক্রমণ হচ্ছিল। গোল পেতে দশ মিনিটের বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। মোর্শেদের চিপ থেকে বক্সে লাফিয়ে হেড করেন মানিক। এতে মালে স্টেডিয়ামের গ্যালারী গোল উৎসবে মাতে। মালে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশি প্রবাসী দর্শক রয়েছেন অনেকে।

পরের মিনিটে বাংলাদেশ আবার নেপালের জালে বল পাঠায়। আমেরিকান প্রবাসী রোনান সুলিভান দারুণ দক্ষতায় বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে পাঠান। তিনি যখন বল রিসিভ করেন তখন নেপালের ডিফেন্ডারের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। সহকারী রেফারি অফ সাইডের পতাকা তোলেন। বাংলাদেশের ডাগ আউট থেকে এটার প্রতিবাদ হয়েছে ব্যাপকভাবে। তাতে ১-০ গোলের লিড নিয়ে বাংলাদেশ ড্রেসিংরুমে ফেরে।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২০-৩০ মিনিট নেপাল বাংলাদেশের উপর যথেষ্ট চাপ রাখে। গোলের কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোলরক্ষক মাহিন অবশ্য ভালো সেভ করেছেন। বাংলাদেশও পক্ষান্তরে আক্রমণ করেছে। দুই দলই দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক খেলোয়াড় পরিবর্তন করেছে। রোনানের ভাই ডেকলানকে ম্যাচের শেষের দিকে নামিয়েছেন কোচ মিশু। ডেকলান ভাই রোনানকে বক্সের মধ্যে ভালো পাস দিয়েছিলেন। রোনানের শট নেপালের ডিফেন্ডারে প্রতিহত হয়ে কর্ণার হয়।

৬ মিনিট ইনজুরি সময়ে দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া ছিল। আর কোনো গোল না হওয়ায় বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। রোনান-মোর্শেদরা ফাইনালে উঠায় মালে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশি প্রবাসীরা উল্লাস করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

সাফ অনুর্ধ্ব ২০ শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর এক ম্যাচ দূরে বাংলাদেশ। আজ মালদ্বীপের মালে স্টডিয়ামে অনুষ্টিত সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ১-০ গোলে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে ফাইনালে ওঠেছে। পরের সেমিফাইনাল ভারত ও ভুটানের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই দলের বিজয়ী দলের সঙ্গে ট্রফি বিজয়ের জন্য লড়বে বাংলাদেশ। আজ বুধবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের হয়ে দশ মিনিটের সময় জয়সূচক গোলটি করেন মানিক।

২০২৪ সালে বাংলাদেশ সাফের এই টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবারও বাংলাদেশ নিজেদের শিরোপা ধরে রাখার মিশন নিয়েই দেশ ছেড়েছিল। নেপালকে হারিয়ে আবার শিরোপা লড়াইয়ে রয়েছে লাল-সবুজের দলটি। বাংলাদেশের ফাইনালের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে আজ রাতে ভারত ও ভুটানের ম্যাচের পর।

সেমিফাইনালে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। প্রথম থেকেই অনেক আক্রমণ হচ্ছিল। গোল পেতে দশ মিনিটের বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। মোর্শেদের চিপ থেকে বক্সে লাফিয়ে হেড করেন মানিক। এতে মালে স্টেডিয়ামের গ্যালারী গোল উৎসবে মাতে। মালে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশি প্রবাসী দর্শক রয়েছেন অনেকে।

পরের মিনিটে বাংলাদেশ আবার নেপালের জালে বল পাঠায়। আমেরিকান প্রবাসী রোনান সুলিভান দারুণ দক্ষতায় বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে পাঠান। তিনি যখন বল রিসিভ করেন তখন নেপালের ডিফেন্ডারের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। সহকারী রেফারি অফ সাইডের পতাকা তোলেন। বাংলাদেশের ডাগ আউট থেকে এটার প্রতিবাদ হয়েছে ব্যাপকভাবে। তাতে ১-০ গোলের লিড নিয়ে বাংলাদেশ ড্রেসিংরুমে ফেরে।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২০-৩০ মিনিট নেপাল বাংলাদেশের উপর যথেষ্ট চাপ রাখে। গোলের কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোলরক্ষক মাহিন অবশ্য ভালো সেভ করেছেন। বাংলাদেশও পক্ষান্তরে আক্রমণ করেছে। দুই দলই দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক খেলোয়াড় পরিবর্তন করেছে। রোনানের ভাই ডেকলানকে ম্যাচের শেষের দিকে নামিয়েছেন কোচ মিশু। ডেকলান ভাই রোনানকে বক্সের মধ্যে ভালো পাস দিয়েছিলেন। রোনানের শট নেপালের ডিফেন্ডারে প্রতিহত হয়ে কর্ণার হয়।

৬ মিনিট ইনজুরি সময়ে দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া ছিল। আর কোনো গোল না হওয়ায় বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। রোনান-মোর্শেদরা ফাইনালে উঠায় মালে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশি প্রবাসীরা উল্লাস করেন।