বিসিবি’তে বিগত ষোল বছরের অনিয়মে কঠোর তদন্তের ঘোষনা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৭:৫০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
- / ৪২ বার পড়া হয়েছে
আজ রোববার সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, বিসিবিতে বিগত ষোল বছরের সকল অনিয়মের তদন্ত করা হবে।
তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সাল থেকে দলীয় প্রভাবে যারা অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করতে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। রোববার (২৯ মার্চ) সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ২০০৮ সাল থেকে যারা দলীয় সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের নিয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এতে কারা কারা জড়িত আছে, তা জাতির সামনে নিয়ে আসব। আপনারা শুনে অবাক হবেন, বিসিবির অর্থ ও জনবল ব্যবহার করে একটি গ্রুপ বিগত সময়ে ভোটের অধিকার হরণ করার মতো অপকর্মে সহায়তা করেছে।’
বোর্ডের যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন তার প্রশ্নে অভিযোগ করেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ক্রিকেট বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তা বোর্ডের সম্পত্তি ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। এর জবাবে আমিনুল হক বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ক্রিকেট বোর্ডসহ সব খেলাধুলাকে দলীয়করণ ও রাজনীতিকরণ করা হয়েছিল। এতে দেশের ক্রীড়াঙ্গন স্থবির হয়ে ধ্বংসের মুখে চলে গেছে। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রীড়াঙ্গনকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার কাজ করে যাচ্ছে।
ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার বিষয়টিও সামনে আনেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার কিছু ইস্যু আমার সামনে পরিলক্ষিত হয়েছে। আমি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালকের কাছে আহ্বান করব– এ বিষয়ে কোনো তদন্ত থাকলে তা যেন আমাদের অবগত করেন, যাতে আমরা তা জাতির সামনে তুলে ধরতে পারি।’










