দেশীয় গ্যাস উৎপাদনে জোর দেয়ার প্রতিশ্রুতি নতুন সরকারের
- আপডেট সময় : ১২:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৪২ বার পড়া হয়েছে
- ১০০দিনে ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা
- সিস্টেম লস ৬ দশমিক ২৫ শতাংশে কমিয়ে আনা
- ২০২৮ সালের মধ্যে ১০০টি কুপ খনন করা
বর্তমান সময়ে গ্যাস সঙ্কটে গোটা বাংলাদেশ। এই সঙ্কট থেকে উত্তরণের পথ হিসেবে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসে আজ বুধবার বিকেলে তিনি তার আগামী ১০০ দিন ও ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনায় এই প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছেন। এই পরিকল্পনায় দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানোর মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের কথা তুলে ধরা হয়।
নতুনমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে ১০০টি কূপ খনন এবং সম্ভাব্য ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংস্থান করা হবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) পাঁচটি রিগের পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কোম্পানিসমূহের চারটি রিগসহ মোট নয়টি রিগের মাধ্যমে দেশে তেল গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আরও দুটি নতুন রিগ ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রথম ১০০ দিনের পরিকল্পনায় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে বলা হয়, দিনে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা হবে। পরিত্যক্ত কূপগুলো থেকে গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। আর আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি কূপ খননের মাধ্যমে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে সিসমিক জরিপ পরিচালনা নিয়ে বলা হয়, ১০০ দিনের মধ্যে ‘সিসমিক ডেটা অ্যাকুইজিশন’ শেষ করে বিভিন্ন প্রকল্পের প্রস্তাব প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। আর পাঁচ বছর পর ভোলা, মনপুরা, হাতিয়া ট্রানজিশন ও সুবর্ণচরের জরিপ শেষ করা হবে।
এলএনজি অবকাঠামো স্থাপনের বিষয়ে ১০০ দিনের পরিকল্পনায় রয়েছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবজোম নামে চতুর্থ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হবে। আর কমিশনিং শেষ করে পরিচালনা কার্যক্রম শুরু করা হবে ২০৩০ সালের মধ্যে। পাশাপাশি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে পিপিপি (সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব) পদ্ধতিতে ট্রানজেকশন অ্যাডভাইজার নিয়োগের কথাও বলা হয়েছে ১০০ দিনের মধ্যে।
এ ছাড়া গ্যাস সঞ্চালন লাইন সম্প্রসারণ; ১০০ দিনে সিস্টেম লস ৬ দশমিক ২৫ শতাংশে কমিয়ে আনা, যা পাঁচ বছরে ৪ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করা এবং আবাসিক সংযোগে স্মার্ট মিটার স্থাপনের কাজ এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।



















