সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথে অংশ না নেয়ার ব্যাখ্যা দিলেন সালাহ উদ্দিন
- আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আজ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন সংবিধান সংস্কার পরিষদেও শপথ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সংবিধান সংস্কার শপথে বিএনপি ছাড়া জামায়াত ও এনসিপি জোট এই শপথে অংশ নিলেও বিএনপি অংশ নেয় নি। কেন বিএনপি এই সংবিধান সংস্কারে অংশ নেয়নি তার একটি সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শপথ না নেয়া বিষয়টি গতকাল সোমবার থেকে পরিষ্কার করেছি। গণভোটের রায় অনুসারে জনগণের যে ইচ্ছা এবং গণভোটের রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে গেলে আগে সংসদে যেতে হবে। সংসদে প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সেই সংশোধন করার পরে পরবর্তী করণীয় সংবিধান নির্ধারণ করবে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথগ্রহণ ও সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিদ্যমান সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের ২(ক)-তে যা বলা আছে—স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার যদি শপথ পড়াতে না পরেন এবং তাদের মনোনীত প্রতিনিধি যদি তা না করেন, তাহলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন। সেই বিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাদের শপথ পড়িয়েছেন।
তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, এখানে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বলে কোনো বিধান সংবিধানে নেই এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারেরও শপথ পাঠ করানোর কোনো এখতিয়ার নেই। সেই বিবেচনায় তিনিও আমাদের শপথ গ্রহণের জন্য বলেননি, আমরাও শপথ গ্রহণ করিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা এ পর্যন্ত এসেছি সাংবিধানিকভাবে এবং আগামীতে সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত থাকবে।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে বিজয়ী দল হিসেবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।
আজ বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ শপথের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করছে। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় একজন ক্ষমতায় আসছেন। তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি এবং মা খালেদা জিয়া ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।



















