তরুণাই বদলে দিতে পারে ভোটের সমীকরণ!
- আপডেট সময় : ০৮:১৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৪৪ বার পড়া হয়েছে
প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন, প্রস্তুত বাংলাদেশের সকল ভোট কেন্দ্র। প্রস্তুত আইন শৃঙ্খলাবাহিনী। তাদের কড়া নজরদারির মধ্য দিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকাল সাতটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহন।
৫ আ্গস্ট ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের অপশাসনের পতন হয়। গত ষোল বছর ধরের একক ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা এই আন্দোলনের তোড়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। সেই সাথে স্বাধীনতার পক্ষের দল আওয়ামী লীগ দলটিও চলে যায় পর্দার আড়ালে। সে থেকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে আসছেন ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ। যেখানে বহাল থেকে যায় আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রেসিডেন্ট সাহাব উদ্দিন চুপ্পু। শুরু হয়ে যায় দেশে ব্যাপক রদ-বদল। উপদেষ্টা পরিষদের যুক্ত হন ছাত্রদের পক্ষ থেকে তিন তরুণ আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ।
এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের গত প্রায় ষোল মাসের শাসনকালে নানাবিধ আন্দোলন চলেছিলো। সব কিছু অতিক্রম করে অবশেষে নির্বাচনমুখী হয়ে উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষনা এবং ২২ ফেব্রুয়ারীতে শুরু হয় নির্বাচনী প্রচারণা। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হয় নির্বাচনী প্রচারণা। এতে মনোনয়ণ সংগ্রহ করেন ৩৪১৭জন প্রার্থী। প্রাথমিকভাবে, ২,৫৮২ জন প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছিল।নির্বাচন কমিশন তাদের মধ্যে ৭২৩ জনকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, যার ফলে বর্তমানে ১,৮৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।এই নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জাতীয় নাগরিক দল (এনসিপি) থেকে। এবার ভোটারের সংখ্যা হচ্ছে ১৩ কোটি। যার মধ্যে প্রায় ৫১ শতাংশের বেশি ভোটারই হচ্ছে নারী।
৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াত ইসলামী দল ভোটের যুদ্ধে মূল প্রতিপক্ষ হয়ে দাড়ায়। ভোট যুদ্ধ যতই ঘনিয়ে আসে রাজনৈতিক অঙ্গনে ততই শুরু হয়ে যায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। আর এই যুদ্ধের হিসাব নিকাশে পরিসংখ্যানবিদরা কখনো বিএনপিকে কখনো আওয়ামী লীগকে এগিয়ে রাখছেন।
তবে অতীত ইতিহাস মতে ভোটের যুদ্ধটা বিএনপি’র অনুকুলেই বেশি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে যেহেতু জামায়াতে ইসলামী এর আগের নির্বাচনে একবার আওয়ামী লীগ আরেকবার বিএনপি’র সাথে জোট বেধেও ন্যূনতম সফলতা দেখাতে পারেনি। সেক্ষেত্রে একক প্রতিদন্দ্বিতায় দলটি সর্বোচ্চ ৩০-৪০টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তারা।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা হতে পারে নির্বাচনী ট্রাম্পকার্ড। প্রায় ৫ কোটি তরুণ ভোটার রয়েছেন। এই তরুণরা ডিজিটাল প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত ও সচেতন এই প্রজন্ম প্রার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা এবং স্বচ্ছতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যা চূড়ান্ত ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে। এই ভোটগুলো কারা পাচ্ছেন সেটা একটা গুরুত্ববহন করছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বিষয়টিও গুরুত্ব রয়েছে। এই ভোটগুলো যাদের অনুকুলে যাবে তারাই কিন্তু সরকার গঠন করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
কিন্তু এতো ব্যাখ্যার পরেও রাজনৈতিক দলগুলোসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ভিন্ন এক আতঙ্ক বিরাজ করছে। আর সেটি হচ্ছে দেশের বাতাসে মেটিকুলাস ডিজাইন নামক একটি শব্দ উড়ছে। নির্বাচিত হওয়ার মতো জনসমর্থন না থাকলেও এই ডিজাইনে ভর করে একটি দল ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নের কথা সবার মুখে মুখে। এখন এই ডিজাইনটা কি হবে সেদিকেই সবাই তাকিয়ে আছে।
তবে নির্বাচনের আগের দিন সাধারণ মানু্ষের সচেতনায় একটি ইসলালিক দলের নেতা-কর্মী বিপুল পরিমান নগদ অর্থ,লাঠি সোটা, অস্ত্র এবং ব্যালট পেপারসহ ধরা পড়ার দৃশ্যগুলো মিডিয়ায় প্রকাশিত হতে দেখা যায়। এই দৃশ্যগুলো যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে নির্বাচনের দিন সাধারণ জনগণ কোন ধরনের হাঙ্গামা চায় না।
বয়সভিত্তিক ভোটের পরিসংখ্যান
ইসির তথ্য অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়সীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার রয়েছে ২৬ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের ক্যাটাগরিতে। প্রায় আড়াই কোটি ভোটারের বয়স ২২ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো—
• ১৮-২১ বছর : ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৩৮ জন।
• ২২-২৫ বছর : ১ কোটি ১৯ লাখ ৬২ হাজার ১০৬ জন।
• ২৬-২৯ বছর : ১ কোটি ২১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন।
• ৩০-৩৩ বছর : ১ কোটি ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৫ জন।
• ৩৪-৩৭ বছর বয়সী ভোটার : ১ কোটি ২৩ লাখ ৬ হাজার ৭৫৫ জন।
• ৩৮-৪১ বছর বয়সী ভোটার : ১ কোটি ৩০ লাখ ২৬ হাজার ৪৫০ জন।
• ৪২-৪৫ বছর বয়সী ভোটার : ১ কোটি ২৩ লাখ ২৩ হাজার ৪২ জন।
• ৪৬-৪৯ বছর বয়সী ভোটার : ৯২ লাখ ৩৯ হাজার ৭২৩ জন।
• ৫০-৫৩ বছর বয়সী ভোটার : ৮০ লাখ ৫৪ হাজার ৫৬০ জন।
• ৫৪-৫৭ বছর বয়সী ভোটার : ৬৩ লাখ ৪২ হাজার ২৮ জন।
• ৫৮-৬০ বছর বয়সী ভোটার : ৫১ লাখ ৮১ হাজার ১০৩ জন।
• ৬০ বছরের বেশি ভোটার : ১ কোটি ৯৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৯৪ জন।
অঞ্চলভিত্তিক ভোটার
• ঢাকা অঞ্চল : ১ কোটি ৮৩ লাখ ৪৪ হাজার ৯৬৫ জন।
• রাজশাহী অঞ্চল : ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮০ জন।
• ময়মনসিংহ অঞ্চল : ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯ হাজার ২৭১ জন।
• কুমিল্লা অঞ্চল : ১ কোটি ৫৭ লাখ ৬৮ হাজার ৫০ জন।
• খুলনা অঞ্চল : ১ কোটি ৪২ লাখ ৩৫ হাজার ৬১০ জন।
• রংপুর অঞ্চল : ১ কোটি ৪১ লাখ ৮৪ হাজার ১২২ জন।
• চট্টগ্রাম অঞ্চল : ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৩২০ জন।
• সিলেট অঞ্চল : ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২২ জন।
• বরিশাল অঞ্চল : ৭৯ লাখ ৮১ হাজার ১২৭ জন।
• ফরিদপুর অঞ্চল : ৬১ লাখ ৫৩ হাজার ৫২৬ জন।
কোন দলের কতজন লড়ছেন
>> লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)- ১৩ জন
>> জাতীয় পার্টি (জেপি)- ১০ জন
>> বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)- ৬৫ জন
>> বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- ২৯১ জন
>> গণতন্ত্রী পার্টি- ১ জন
>> জাতীয় পার্টি- ২০০ জন
>> বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী- ২২৮ জন
>> জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)- ২৮ জন
>> জাকের পার্টি- ৫ জন
>> বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)- ৩৫ জন
>> বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)- ২ জন
>> বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন- ৮ জন
>> বাংলাদেশ মুসলিম লীগ- ১৬ জন
>> ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি- ২২ জন
>> জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ- ৪ জন
>> গণফোরাম- ২০ জন
>> গণফ্রন্ট- ৫ জন
>> বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ- ১ জন
>> বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- ৬ জন
>> ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ- ২০ জন
>> বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি- ২ জন
>> ইসলামী ঐক্যজোট- ২ জন
>> বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস- ৩৪ জন
>> ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- ২৫৮ জন
>> বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট- ২৫ জন
>> জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা- ১ জন
>> বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি- ৭ জন
>> খেলাফত মজলিস- ২০ জন
>> বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল- ৪ জন
>> বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট)- ২০ জন
>> বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)- ৮জন
>> জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)- ৮ জন
>> বাংলাদেশ কংগ্রেস- ১৮ জন
>> ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ- ৪২ জন
>> বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ)- ১৫ জন
>> বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)- ১৮ জন
>> আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)- ৩০জন
>>গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)- ৯৪ জন
>> নাগরিক ঐক্য- ১১ জন
>> গণসংহতি আন্দোলন- ১৭ জন
>>বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি- ২ জন
>>বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)- ৮ জন
>>বাংলাদেশ লেবার পার্টি- ১৭ জন
>>বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)- ১৪ জন
>>জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)- ৩২ জন
>>বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)- ৩২ জন
>>জনতার দল- ২০ জন
>>আমজনতার দল- ১৫ জন
>>বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি)- ১ জন
>>বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি- ৩ জন
নিবন্ধিত দল যারা ভোটে যায়নি
>> জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)
>> বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম এল)
>> কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ
>> বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
>> বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি
>> বিকল্পধারা বাংলাদেশ
>> বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন
>> তৃণমূল বিএনপি
>> বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম
কোন নির্বাচনে কত প্রার্থী
• সবশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর বর্জনের মধ্যে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ ২৮টি দল অংশ নেয়। বিএনপিসহ ১৪টি দল ভোটের বাইরে ছিল। ২৯৯ আসনে প্রার্থী ছিল ১৯৬৯ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র ৪৩৭ জন এবং বাকি ১৫৩২ জন দলীয় প্রার্থী।
• ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৪৯৮টি এবং দলীয় প্রার্থীদের ২ হাজার ৫৬৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ওই সংসদ নির্বাচনে ৩৯টি নিবন্ধিত দল অংশ নেয়। শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৬১ জন। তাদের মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১৭৩৩ জন; বাকি ১২৮ জন স্বতন্ত্র।
• ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনে ১২টি দল অংশ নিয়েছিল। মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল ১ হাজার ১০৭টি, বাছাইয়ের পর টিকে ছিলেন ৮৭৭ জন। ১৫৩টি আসনে একক প্রার্থী ছিল বলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
• দল নিবন্ধনের পদ্ধতি চালুর পর ২০০৮ সালের নবম সংসদ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ২৮টি দল; প্রার্থী ছিলেন ১৫৬৭ জন।
• নিবন্ধন চালু হওয়ার আগে ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ৫৫টি দল অংশ নেয়, প্রার্থী ছিলেন ১৯৩৯ জন।
• ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ৮১টি দল অংশ নেয়, প্রার্থী ছিলেন ২৫৭২ জন।
• ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে ১৪৫০ জন প্রার্থী ছিলেন, দল ছিল ৪২টি।
• ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ২৭৮৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, দল ছিল ৭৫টি।
• ১৯৮৮ সালে চতুর্থ সংসদ নির্বাচনে ৮টি দল অংশ নিয়েছিল, প্রার্থী ছিলেন ৯৭৭ জন।
• ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫২৭ জন প্রার্থী ছিলেন, দল ছিল ২৮টি।
• ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯টি দল অংশ নেয়, প্রার্থী ছিলেন ২১২৫ জন।
• ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে ১৪টি দল অংশ নেয়, ১০৯১ জন প্রার্থী ছিলেন।

















