র্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্তি চাইলেন সাবেক সেনাপ্রধান
- আপডেট সময় : ০৪:১৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৪৩ বার পড়া হয়েছে
সাবেক সেনা প্রধান ইকবাল করিম ভুঁইয়া বলেছেন, ‘আয়না ঘরের মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেওয়ার পর ডিজিএফআই টিকে থাকার বৈধতা হারিয়েছে।’ তিনি র্যাব ও ডিজিএফআইয়ের বিলুপ্তি চেয়েছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
গুম-খুনের ঘটনায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের (বরখাস্ত) বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম জবানবন্দি দেন তিনি।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এ এই জবানবন্দি নেওয়া হয়। জবানবন্দি শেষ হলে ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার জবানবন্দিতে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দীকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাহিনীপ্রধানদের মধ্যে সুপার চিফ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন; ডিজিএফআই, এনএসআই, র্যাব, এনটিএমসি, আনসার ও বিজিবিকে তার নিয়ন্ত্রণে নেন। এর মাধ্যমে চারটি চক্রের উদ্ভব ঘটে। প্রথম চক্রটি হচ্ছে অপরাধ চক্র; যেটি ডিজিএফআই, এনএসআই, র্যাব ও এনটিএমসিকে নিয়ে তিনি পরিচালনা করতেন। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়ন, হত্যা ও গুমের মতো ঘটনা সংঘটিত হতে থাকে।
এ ছাড়া ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ভারত ও আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ তীব্র হয়। সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে বিভাজন ব্যাপক রূপ ধারণ করে।’
















