ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ঠাকুরগাঁয়ে মির্জা ফখরুলের ভোটের আকুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সময় যতই গড়াচ্ছে ততই নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে। প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থণা করছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। রাজধানীর ব্যস্ত শহরের চেয়ে তিনি এখন নিজ নির্বাচনী এলাকাতেই সময় দিচ্ছেন বেশি। দৌড়াচ্ছেন প্রত্যেক ভোটারের কাছে। তাকে একটিবার নির্বাচিত করার জন্য ভোটারদের কাছে করছেন আকুতি। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ভোটারদের কাছে গিয়ে বলেন, শিক্ষকতা করেছি বলে সবাই আমাকে স্যার বলে। স্যার নামেই আমি সারাবিশ্বে পরিচিত। কেউ আমার সম্বন্ধে খারাপ বলতে পারবে না। আমার তো শেষ সময় তাই এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে সুযোগ দেবেন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার ২৯ মাইল নামক স্থানে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বিএনপি বড় দল। বিএনপি জনগণের অধিকার রক্ষা করে। মা-বোনদের অধিকার রক্ষা করে।
নিজ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত প্রার্থীর প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেলোয়ার আপনাদের এলাকার ছেলে, খুব ভালো ছেলে। বয়স কম, কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। তবে লেগে থাকলে ভালো করবে।

মর্জিা ফখরুল বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন বাস্তবায়ন করবে। তিনি বলেন, আমাদের দেশের কৃষি এখনো সঠিকভাবে হয়নি। আমাদের জেলার কৃষকরা সবচেয়ে বেশি অসহায়। আমরা ক্ষমতায় গেলে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন করতে চাই। শুধু বিএ পাস করলেই হবে না। টেকনিক্যাল ট্রেনিং নাও, বিদেশে ভুরিভুড়ি চাকরি অপেক্ষা করছে।
পতিত শক্তি আওয়ামী লীগ নিয়ে তিনি বলেন, আগে নৌকা আর ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নাই। নৌকার কান্ডারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আপনাদের ফেলে ভারতে চলে গেছে। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে। আমাদেরকে বিপদে ফেলে চলে গেছে। থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত। কিন্তু ছাত্র-জনতার তাড়া খেয়ে শেখ হাসিনা পালাইছে। নেতাকর্মীরা এখন বিপদে। যারা পালায় তাদের আমরা চাই না। অনেক ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়েছি। ১৫ বছর মত প্রকাশের সুযোগ পাইনি, এবার পেয়েছি। যারা ভোট দিতে চেয়েছে তাদের মামলা দিয়ে জেলে দিতো আওয়ামী লীগ।

মহাসচিব আরো বলেন, যারা পাকিস্তানি সেনাদের সাহায্য করেছে। আমাদের হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে। তারা আবার এসে ভোট চাচ্ছে। যে দলটা আমাদের দেশকে বিশ্বাস করে না, স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না। তাদেরকে ভোট দিয়ে দেশটার সর্বনাশ করব না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁয়ে মির্জা ফখরুলের ভোটের আকুতি

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

সময় যতই গড়াচ্ছে ততই নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে। প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থণা করছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। রাজধানীর ব্যস্ত শহরের চেয়ে তিনি এখন নিজ নির্বাচনী এলাকাতেই সময় দিচ্ছেন বেশি। দৌড়াচ্ছেন প্রত্যেক ভোটারের কাছে। তাকে একটিবার নির্বাচিত করার জন্য ভোটারদের কাছে করছেন আকুতি। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ভোটারদের কাছে গিয়ে বলেন, শিক্ষকতা করেছি বলে সবাই আমাকে স্যার বলে। স্যার নামেই আমি সারাবিশ্বে পরিচিত। কেউ আমার সম্বন্ধে খারাপ বলতে পারবে না। আমার তো শেষ সময় তাই এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে সুযোগ দেবেন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার ২৯ মাইল নামক স্থানে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বিএনপি বড় দল। বিএনপি জনগণের অধিকার রক্ষা করে। মা-বোনদের অধিকার রক্ষা করে।
নিজ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত প্রার্থীর প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেলোয়ার আপনাদের এলাকার ছেলে, খুব ভালো ছেলে। বয়স কম, কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। তবে লেগে থাকলে ভালো করবে।

মর্জিা ফখরুল বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন বাস্তবায়ন করবে। তিনি বলেন, আমাদের দেশের কৃষি এখনো সঠিকভাবে হয়নি। আমাদের জেলার কৃষকরা সবচেয়ে বেশি অসহায়। আমরা ক্ষমতায় গেলে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন করতে চাই। শুধু বিএ পাস করলেই হবে না। টেকনিক্যাল ট্রেনিং নাও, বিদেশে ভুরিভুড়ি চাকরি অপেক্ষা করছে।
পতিত শক্তি আওয়ামী লীগ নিয়ে তিনি বলেন, আগে নৌকা আর ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নাই। নৌকার কান্ডারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আপনাদের ফেলে ভারতে চলে গেছে। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে। আমাদেরকে বিপদে ফেলে চলে গেছে। থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত। কিন্তু ছাত্র-জনতার তাড়া খেয়ে শেখ হাসিনা পালাইছে। নেতাকর্মীরা এখন বিপদে। যারা পালায় তাদের আমরা চাই না। অনেক ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়েছি। ১৫ বছর মত প্রকাশের সুযোগ পাইনি, এবার পেয়েছি। যারা ভোট দিতে চেয়েছে তাদের মামলা দিয়ে জেলে দিতো আওয়ামী লীগ।

মহাসচিব আরো বলেন, যারা পাকিস্তানি সেনাদের সাহায্য করেছে। আমাদের হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে। তারা আবার এসে ভোট চাচ্ছে। যে দলটা আমাদের দেশকে বিশ্বাস করে না, স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না। তাদেরকে ভোট দিয়ে দেশটার সর্বনাশ করব না।