ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নির্বাচনী রোড ম্যাচ ঘোষনায় রাজনৈতিক দলগুলোতে স্বস্তি, খুশি মির্জা ফখররুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৪৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের জন্য দীর্থদিন ধরে রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু গত তিনটি টার্ম শেখ হাসিনা সরকার একক নির্বাচন করে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচিত হয়। ক্ষমতা আকড়ে রাখতে সকল ধরনের অপকৌশল প্রয়োগ করেছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবশেষে জনরোশে ফ্যাসিস্ট উপাধি নিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। ঠিক দেশের ক্লান্তিকালের এই সমটায় রাষ্ট্র পরিচালনার গুরু দ্বায়িত্ব কাঁধে তুলেন নেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ। দ্বায়িত্ব বুঝে নিয়েই মেরুদন্ড ভেঙ্গে পড়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঠিক করার চেষ্টায় অনেকটাই সফল হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ঘুরে দাড় করিয়েছেন। বিপদগ্রস্থ্য ব্যাংকখাতকে ঘুরে দাড়ানোর প্রাণবন্ত চেষ্টায় বেশ সফলতা দেখিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এই করতে করতেই এক বছর পার। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে নির্বাচনী রোড ম্যাপ না পাওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বড় ধরণের আশঙ্কা তৈরি হয়। নানা সময় নানা বক্তব্যে রাজনীতির মাঠ গরম হতে দেখা যায়। সংস্কার সংস্কার আর সংস্কার এই বক্তব্যগুলো নিয়েও ছিলো ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। যে সমালোচনা করতে বাধ থাকেননি বড় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামও। বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে তার বক্তব্যে বেরিয়ে এসেছিলো নির্বাচনী শঙ্কা। অবশেষে সেই শঙ্কা দূর হয়েছে নির্বাচন কমিশন কতৃক নির্বাচনী রোড ম্যাপ ঘোষনার মধ্য দিয়ে।

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ ঘোষণায় প্রতিক্রিয়া  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন তিনি এতে খুশি। তিনি বলেন,  আমি খুব খুশি। মানুষ এই অনিশ্চয়তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য নির্বাচনটা চাচ্ছে ভীষণভাবে। পানের দোকানদার থেকে শুরু করে শিল্পোদ্যোক্তা পর্যন্ত সব ধরনের মানুষ নির্বাচন চাচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের সমস্যা সমাধানে নির্বাচন দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। যারা নির্বাচনে বাধা দেওয়া কিংবা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যারা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবে তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এবারের নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনী রোড ম্যাচ ঘোষনায় রাজনৈতিক দলগুলোতে স্বস্তি, খুশি মির্জা ফখররুল

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

একটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের জন্য দীর্থদিন ধরে রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু গত তিনটি টার্ম শেখ হাসিনা সরকার একক নির্বাচন করে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচিত হয়। ক্ষমতা আকড়ে রাখতে সকল ধরনের অপকৌশল প্রয়োগ করেছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবশেষে জনরোশে ফ্যাসিস্ট উপাধি নিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। ঠিক দেশের ক্লান্তিকালের এই সমটায় রাষ্ট্র পরিচালনার গুরু দ্বায়িত্ব কাঁধে তুলেন নেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ। দ্বায়িত্ব বুঝে নিয়েই মেরুদন্ড ভেঙ্গে পড়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঠিক করার চেষ্টায় অনেকটাই সফল হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ঘুরে দাড় করিয়েছেন। বিপদগ্রস্থ্য ব্যাংকখাতকে ঘুরে দাড়ানোর প্রাণবন্ত চেষ্টায় বেশ সফলতা দেখিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এই করতে করতেই এক বছর পার। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে নির্বাচনী রোড ম্যাপ না পাওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বড় ধরণের আশঙ্কা তৈরি হয়। নানা সময় নানা বক্তব্যে রাজনীতির মাঠ গরম হতে দেখা যায়। সংস্কার সংস্কার আর সংস্কার এই বক্তব্যগুলো নিয়েও ছিলো ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। যে সমালোচনা করতে বাধ থাকেননি বড় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামও। বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে তার বক্তব্যে বেরিয়ে এসেছিলো নির্বাচনী শঙ্কা। অবশেষে সেই শঙ্কা দূর হয়েছে নির্বাচন কমিশন কতৃক নির্বাচনী রোড ম্যাপ ঘোষনার মধ্য দিয়ে।

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ ঘোষণায় প্রতিক্রিয়া  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন তিনি এতে খুশি। তিনি বলেন,  আমি খুব খুশি। মানুষ এই অনিশ্চয়তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য নির্বাচনটা চাচ্ছে ভীষণভাবে। পানের দোকানদার থেকে শুরু করে শিল্পোদ্যোক্তা পর্যন্ত সব ধরনের মানুষ নির্বাচন চাচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের সমস্যা সমাধানে নির্বাচন দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। যারা নির্বাচনে বাধা দেওয়া কিংবা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যারা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবে তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এবারের নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।