ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষা চালু করতে কাতার চ্যারিটি সহযোগিতা চাইলেন ড.ইউনুস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষা চালু করতে কাতার চ্যারিটির সহযোগিতা কামনা করছে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস। বুধবার (২৩ এপ্রিল) দোহায় আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কাতার চ্যারিটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নওয়াফ আবদুল্লাহ আল হাম্মাদির সঙ্গে এক বৈঠকে ড.ইউনূস এই প্রত্যাশার কথা জানান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় তা জানানো হয়েছে।

নওয়াফ আবদুল্লাহ আল হাম্মাদির বাংলাদেশে সংগঠনের চলমান মানবিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে এতিম স্পনসরশিপ প্রোগ্রাম এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য এলপিজি বিতরণ। তিনি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতার মতো উদীয়মান প্রযুক্তি শেখার জন্য মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আগ্রহের ওপর জোর দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য যেকোনো সহায়তাকে স্বাগত জানাব। কাতার চ্যারিটি সরাসরি বাংলাদেশি মাদরাসাগুলোর সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং তাদের পাঠ্যক্রমের মধ্যে প্রযুক্তি একীভূত করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে পারে। তিনি আরও বলেন, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুত শিখতে পারে। তারা দ্রুত এই দক্ষতাগুলো অর্জন করবে।

জবাবে, কাতার চ্যারিটি প্রধান উল্লেখ করেন, সংস্থাটি ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি মাদরাসাকে জীবন-দক্ষতা এবং জীবিকা নির্বাহের কর্মসূচিতে সহায়তা করেছে। তিনি আশ্বাস দেন যে, প্রস্তাবটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।

আলোচনায় কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য অব্যাহত মানবিক সহায়তার ওপরও আলোকপাত করা হয়েছিল। অধ্যাপক ইউনূস কাতার চ্যারিটিকে তার এলপিজি বিতরণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার এবং শরণার্থী জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রসারিত করার আহ্বান জানান।
এসময় নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরনে প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বাংলাদেশে মেয়েদের, বিশেষ করে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।

দুই নেতা বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ উদ্যোগ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তাদের প্রভাবশালী ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন। অধ্যাপক ইউনূস দারিদ্র্য মোকাবিলায় এবং কার্যকারিতা সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশের বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব অন্বেষণ করতে কাতার চ্যারিটিকে উৎসাহিত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষা চালু করতে কাতার চ্যারিটি সহযোগিতা চাইলেন ড.ইউনুস

আপডেট সময় : ১২:২৬:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষা চালু করতে কাতার চ্যারিটির সহযোগিতা কামনা করছে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস। বুধবার (২৩ এপ্রিল) দোহায় আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কাতার চ্যারিটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নওয়াফ আবদুল্লাহ আল হাম্মাদির সঙ্গে এক বৈঠকে ড.ইউনূস এই প্রত্যাশার কথা জানান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় তা জানানো হয়েছে।

নওয়াফ আবদুল্লাহ আল হাম্মাদির বাংলাদেশে সংগঠনের চলমান মানবিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে এতিম স্পনসরশিপ প্রোগ্রাম এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য এলপিজি বিতরণ। তিনি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতার মতো উদীয়মান প্রযুক্তি শেখার জন্য মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আগ্রহের ওপর জোর দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য যেকোনো সহায়তাকে স্বাগত জানাব। কাতার চ্যারিটি সরাসরি বাংলাদেশি মাদরাসাগুলোর সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং তাদের পাঠ্যক্রমের মধ্যে প্রযুক্তি একীভূত করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে পারে। তিনি আরও বলেন, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুত শিখতে পারে। তারা দ্রুত এই দক্ষতাগুলো অর্জন করবে।

জবাবে, কাতার চ্যারিটি প্রধান উল্লেখ করেন, সংস্থাটি ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি মাদরাসাকে জীবন-দক্ষতা এবং জীবিকা নির্বাহের কর্মসূচিতে সহায়তা করেছে। তিনি আশ্বাস দেন যে, প্রস্তাবটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।

আলোচনায় কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য অব্যাহত মানবিক সহায়তার ওপরও আলোকপাত করা হয়েছিল। অধ্যাপক ইউনূস কাতার চ্যারিটিকে তার এলপিজি বিতরণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার এবং শরণার্থী জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রসারিত করার আহ্বান জানান।
এসময় নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরনে প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বাংলাদেশে মেয়েদের, বিশেষ করে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।

দুই নেতা বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ উদ্যোগ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তাদের প্রভাবশালী ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন। অধ্যাপক ইউনূস দারিদ্র্য মোকাবিলায় এবং কার্যকারিতা সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশের বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব অন্বেষণ করতে কাতার চ্যারিটিকে উৎসাহিত করেন।