চাকরি স্থায়ী করণে প্রকল্প ও কোম্পানি কর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ, মেট্রোরেল বন্ধ রাখার হুঙ্কার

- আপডেট সময় : ১০:৫৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / ৭৮ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টগুলোতে প্রেষনে নিয়োগ পাওয়া চাকরি স্থায়ীকরণ নিয়ে হুঙ্কার দিয়েছে। তাদের চাকরি স্থায়ী করণ করা না হলে ২১ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ দিনে মেট্রোরেল বন্ধ রাখার হুশিয়ারী দিয়েছে কর্মীরা। এছাড়া স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এছাড়া এক পক্ষ বর্তমান খসড়া সার্ভিস রুলস ৩ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করা এবং অন্যপক্ষ আরও সময় নিয়ে চূড়ান্ত করার কথা বলছে।
এ নিয়ে তারা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কয়েকটি শর্ত বাস্তবায়নের দাবি তুলেছে। ডিএমটিসিএল কোম্পানির স্থায়ী কর্মীরা বলছেন, ২০ ফেব্রুয়ারি মধ্যে খসড়া হিসেবে তৈরি করা সার্ভিস রুলস চূড়ান্ত করতে হবে। প্রেষণে নিয়োজিত কর্মীরা বলছেন, খসড়া সার্ভিস রুলস ও তফসিলে অসংগতি রয়েছে। ফলে ৩ দিনের মতো স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্লেষণ করে মতামত দেওয়া সম্ভব না।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিএমটিসিএলের সরাসরি উন্মুক্ত নিয়োগের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের জন্য জোরালো দাবি জানানো হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ডিএমটিসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ খসড়া চাকরি বিধিমালার উপর বিশদ আলোচনা করেন এবং খসড়া চাকরি বিধিমালার সংশোধন সাপেক্ষে দ্রুত বোর্ড মিটিং আয়োজনের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা প্রণয়ন করবেন বলে আশ্বাস দেন।
এরআগে গত ১২ সেপ্টেম্বর এক পত্রে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা প্রণয়ন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু ৫ মাস অতিবাহিত হলেও কোন এক রহস্যজনক কারণে আজ পর্যন্ত এটি প্রণয়ন করা হয়নি। স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা না থাকায় ডিএমটিসিএল এর ২০০ জনেরও বেশি দেশি ও বিদেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ কর্মকর্তা ও কর্মচারী চাকুরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ফলে মেট্রোরেল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ হুমকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।